শিলাবৃষ্টির জেরে বহু বাড়ির টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গিয়েছে। শতছিদ্র চাল দিয়ে বৃষ্টির জল ঘর ভাসিয়েছে। বিছানা, আসবাবপত্র, খাবার সব নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন বাসিন্দারা। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার গৌড়বঙ্গের কুমারগঞ্জ, হিলি ও বালুরঘাটে গম এবং আমের মুকুলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। বিঘার পর বিঘা গম শিলার আঘাতে মাটিতে মিশে গিয়েছে। কৃষকদের দীর্ঘ পরিশ্রমের ফসল ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
advertisement
শিলাবৃষ্টির প্রহারে চলতি মরশুমে জেলার আম চাষেও বড় ধাক্কা লাগতে চলেছে বলে আশঙ্কা করছেন চাষিরা। ফসল হারিয়ে এখন দিশেহারা চাষিরা। প্রকৃতির ধ্বংসলীলার পর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে যান কুমারগঞ্জের বিডিও শ্রীবাস বিশ্বাস এবং কৃষি আধিকারিকরা। সরকারি সাহায্যের আশ্বাস দিয়েছেন তাঁরা।
মাঝিয়ান আবহাওয়া দফতরের তরফে জানানো হয়, সোমবার রাতে দমকা হাওয়ার গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় ৩৯ কিমি। যা শিলাবৃষ্টির বিধ্বংসী ক্ষমতা বৃদ্ধি করেছিল। তবে এখনও দুর্যোগের মেঘ কাটেনি। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী ২১ ও ২২ মার্চ পর্যন্ত উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বসন্তে প্রকৃতির এমন খামখেয়ালি রূপ নিয়ে দুশ্চিন্তায় চাষি থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
