স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এক যুবতীর সঙ্গে সাধুবাবার কথা কাটাকাটি থেকেই এই ঘটনার সূত্রপাত। অভিযোগ, যুবতীটি ওই ব্যক্তিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে বলেন, আপনি যদি সত্যিকারের সাধু হন, ট্রেন দাঁড় করিয়ে দেখান। এরপরই গেরুয়া বসনধারী ওই ব্যক্তি আচমকা প্ল্যাটফর্ম থেকে লাইনের দিকে দৌড়ে গিয়ে হাতের ইশারায় আসতে থাকা বনগাঁ লোকাল থামানোর চেষ্টা করেন।
advertisement
প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ব্যক্তি ট্রেনের একেবারে সামনে চলে আসায় পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। তবে লোকো পাইলটের তৎপরতা ও দক্ষতায় সময়মতো ব্রেক কষে ট্রেন থেমে যায়। বড়সড় দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয় অল্পের জন্য।
আরও পড়ুনঃ পরীক্ষা কেন্দ্রে যাওয়ার পথে দুর্ঘটনা! আহত উচ্চ মাধ্যমিকের দায়িত্বে থাকা ৬ শিক্ষক-শিক্ষিকা
কিছুক্ষণ পর ট্রেন চলাচল শুরু করলেও ওই ব্যক্তি ফের লাইনের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে স্টেশনে উপস্থিত সাধারণ যাত্রীরাই তাঁকে পাকড়াও করেন। কারও কারও মতে, গেরুয়া বসনধারী ওই ব্যক্তি মানসিকভাবে অসুস্থ হয়ে থাকতে পারেন। ঘটনার জেরে সাময়িক সময়ের জন্য গোবরডাঙ্গা স্টেশনে ট্রেন চলাচলে ব্যাঘাত ঘটে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
যাত্রীদের একাংশের অভিযোগ, এমন দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারত। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গোবরডাঙ্গা এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। গোটা ঘটনার তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে রেল পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে।






