শীতের মরশুম এলেই কিছুটা বাড়ে লেপের চাহিদা। তবে আগের মতো সেই চাহিদা আর নেই। অত্যাধুনিক মেশিনে দ্রুত লেপ-তোষক তৈরি হওয়ায় হাতে তৈরি লেপের কদর অনেকটাই কমেছে। পাশাপাশি বাজারে উন্নত মানের কম্বল সহজলভ্য হওয়ায় তুলোর লেপের ব্যবহারও হ্রাস পেয়েছে। শিবাস ঘোষ জানান, একসময় যেখানে একটি লেপ তৈরির খরচ ছিল মাত্র ৫০০ টাকা।
advertisement
বর্তমানে মূল্যবৃদ্ধির বাজারে সেই খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে দেড় হাজার টাকারও বেশি। তবুও শীতের মরশুমে সারাদিন পরিশ্রম করে গড়ে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা আয় হয় তার। কিন্তু শীত শেষ হলেই এই পেশায় ভাটা পড়ে। তখন সংসার চালাতে কৃষিকাজ কিংবা ভ্যান চালানোর মতো বিকল্প কাজ করতে হয়। ৬০ বছর বয়সেও শিবাস ঘোষ এখনও নিজ হাতে তুলো পিটিয়ে, তা আলগা করে তুলোধোনার যন্ত্রের সাহায্যে লেপ তৈরি করেন।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
নতুন প্রজন্ম এই পেশায় আগ্রহ না দেখানোয় কর্মীর অভাবও বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে এখনও অনেক উপভোক্তার মতে, আধুনিক লেপ বা কম্বল দেখতে যতই সুন্দর হোক না কেন, পুরনো দিনের তুলোর লেপের উষ্ণতা ও পরশের সঙ্গে তার তুলনা চলে না। ভালবাসা আর ঐতিহ্যের টানেই শিবাস ঘোষ আজও ধরে রেখেছেন বাংলার এই প্রাচীন ধুনকর শিল্প।





