যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ফলে ভাটার সময় কার্যত বন্ধই থাকে নৌকা চলাচল। স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে জেটিঘাটটি বেহাল অবস্থায় পড়ে রয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষ নিত্যপ্রয়োজনীয় কাজে এই ফেরিঘাট ব্যবহার করেন। স্কুল-কলেজের ছাত্রছাত্রী, কর্মজীবী মানুষ থেকে শুরু করে রোগী, সকলেই এই সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন।
advertisement
হিঙ্গলগঞ্জের বিডিও অফিস, বিদ্যুৎ দফতর, থানা এবং স্যান্ডেল বিল গ্রামীণ হাসপাতালসহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে যাতায়াতের একমাত্র ভরসা এই ফেরিঘাট। ভাটার সময় জলস্তর নেমে গেলে যাত্রীদের দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করতে হয় জোয়ারের জন্য। এতে দৈনন্দিন কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে। এলাকাবাসীদের দাবি, একাধিকবার ব্লক প্রশাসনের কাছে অভিযোগ জানানো হলেও এখনও পর্যন্ত কোনও স্থায়ী সমাধান মেলেনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাদের আশঙ্কা, দ্রুত সংস্কার না হলে স্কুলপড়ুয়া শিশু, প্রসূতি মা কিংবা অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে বড় ধরনের বিপত্তি ঘটতে পারে। স্থানীয়দের জোর দাবি, অবিলম্বে ফেরিঘাটের সংস্কার ও আধুনিকীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হোক, যাতে জোয়ার-ভাটার প্রভাব সত্ত্বেও স্বাভাবিক পারাপার চালু রাখা সম্ভব হয় এবং সাধারণ মানুষ নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।





