অভিযোগ উঠেছে, ওই কুকুরটিকে ধরে বেধড়ক মারধর করে রক্তাক্ত অবস্থায় পা ভেঙে দেওয়া হয়। পরে কুকুরটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসায় এক পশুপ্রেমী দম্পতিকেও মারধরের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় এক রাজনৈতিক নেতার পরিবারের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রাম গঙ্গানগর দোহারিয়া পিয়ারাবাগান এলাকায়।
আরও পড়ুনঃ আগুন নেভাতে গিয়ে সর্বনাশ! ধোঁয়ায় শ্বাসরুদ্ধ হয়ে মৃত্যু সিভিক ভলান্টিয়ারের, সামশেরগঞ্জ থানায় শোক
advertisement
জানা গিয়েছে, এলাকার বাসিন্দা সুরজিৎ ঘোষ পেশায় টোটো চালক। তাঁর স্ত্রী নন্দিনী ঘোষের সঙ্গে তিনি দীর্ঘদিন ধরেই পশুপ্রেমী হিসেবে পরিচিত। ওই এলাকারই বাসিন্দা বিশ্বজিৎ পালের মেয়েকেই কুকুরটি কামড় দেয় বলে জানা যায়। এরপর বিশ্বজিৎ পাল ও তার পরিবারের সদস্যরা কুকুরটিকে ধরে নির্মমভাবে মারধর করেন বলে অভিযোগ। রক্তাক্ত অবস্থায় কুকুরটিকে রাস্তার ধারে পড়ে থাকতে দেখা যায়। সারমেয়টির এমন অবস্থা দেখে সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসেন সুরজিৎ ঘোষ ও তার স্ত্রী। তারা স্থানীয় একটি এনজিওকে খবর দিয়ে কুকুরটির চিকিৎসার ব্যবস্থা করেন।
আর তাতেই ক্ষেপে যায় পাল পরিবার। অভিযোগ, বিশ্বজিৎ পাল, তার স্ত্রী এবং দাদা বরকা পাল (স্থানীয় বিজেপি নেতা) সহ আরও কয়েকজন তাদের হুমকি দেন এবং গালিগালাজ করে। প্রতিবাদ করায় সুরজিৎ ঘোষকে রাস্তায় ফেলে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ। মাথা ফাটিয়ে দেওয়া, ঠোঁট ফাটিয়ে দেওয়া-সহ গুরুতরভাবে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তার স্ত্রীকেও চুল ধরে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পরবর্তীতে ওই দম্পতি গোটা ঘটনা জানিয়ে মধ্যমগ্রাম থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। কুকুরটির মৃত্যু হওয়ায় তার ময়নাতদন্তও করা হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত পুলিশ কোনও কঠোর পদক্ষেপ না নেওয়ায় ক্ষুব্ধ ওই দম্পতি। অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তারা। এই ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে পশুপ্রেমী মহল। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিভিন্ন মহলে। এখন দেখার, এই ঘটনায় প্রশাসন কী পদক্ষেপ গ্রহণ করে।





