উত্তর ২৪ পরগনা জেলার হিঙ্গলগঞ্জ ব্লকের স্যান্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের বাঁকড়া দালালাবাদ এলাকায় নতুন নির্মিত স্লুইস গেট ঘিরে তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়লেন চাষিরা। অভিযোগ, নিম্নমানের কাজের জেরে ইছামতী নদীর নোনা জল ঢুকে পড়েছে বিস্তীর্ণ চাষের ক্ষেতে। এতে বিঘার পর বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরেই পুরনো স্ললুইস গেটটি বিকল অবস্থায় পড়ে ছিল। ফলে জল নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হচ্ছিল। এরপর পঞ্চায়েতের মাধ্যমে পশ্চিমবঙ্গ সরকার উন্নয়ন পরিষদের উদ্যোগে নতুন করে স্লুইস গেট নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পের ২ লক্ষ ৬৯ হাজার ৮৭২ টাকা ব্যয়ে স্লুইস গেটটি নির্মিত হয়। তবে এলাকাবাসীর অভিযোগ, অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করে কাজ করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ মরণোত্তর দানে অমরত্বের বার্তা, মৃত্যুকে জয় করার মানবিক অঙ্গীকার পুরুলিয়ার রেল কর্মীর
তাদের দাবি, প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অনেক কম খরচেই কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নতুন স্লুইস গেট তৈরি হওয়ার পরও কীভাবে নদীর নোনা জল সরিষা ক্ষেতে ঢুকে পড়ল, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন চাষিরা। চাষি তুষার কান্তি মণ্ডল-সহ একাধিক কৃষক জানান, অনেকেই সমবায় সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে কিংবা অন্যত্র থেকে ধার করে চাষ করেছেন। এখন ফসল নষ্ট হয়ে যাওয়ায় ঋণ শোধ নিয়ে গভীর চিন্তায় পড়েছেন তারা। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও সমস্যার স্থায়ী সমাধানের দাবি তুলেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
স্যান্ডেল বিল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান পরিতোষ বিশ্বাস জানান, “বাঁকড়া দালালাবাদ এলাকার একটি স্লুইস গেট দিয়ে জল ঢোকার কথা শুনেছি। এতে চাষিদের সমস্যা হচ্ছে। পঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে দ্রুত জল নিকাশের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।” এখন দেখার, প্রশাসনের তৎপরতায় সমস্যার কত দ্রুত সমাধান হয় এবং ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা আদৌ উপযুক্ত ক্ষতিপূরণ পান কি না।





