এই মন্দিরের মূল আকর্ষণ হল বিশ্রামরত বা শায়িত অবস্থায় থাকা বীর হনুমানের মূর্তি, যা গোটা ভারতের মধ্যেও বিরল বলেই মত মন্দির কমিটির। প্রায় ২০ ফুট দীর্ঘ এই হনুমান মূর্তিটি ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০ ফুট নীচে শয়নরত অবস্থায় স্থাপিত। প্রথম দর্শনেই মূর্তির ভাস্কর্য ও গঠন ভক্তদের মুগ্ধ করে। স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের শায়িত হনুমান মূর্তি দেশের অন্য কোথাও খুব একটা দেখা যায় না।
advertisement
মন্দিরের পুরোহিত ও কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, রাম-রাবণের যুদ্ধকালে দীর্ঘ পথ অতিক্রম করার পর ক্লান্ত হনুমান পাতালে নেমে এসে বিশ্রাম নেন। সেই সময় তিনি তাঁর গদা পাশে রেখে শয়ন করেছিলেন- এই বিশ্বাসকেই এই হনুমান মন্দিরে মূর্তির মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে। স্বপ্নাদেশের মাধ্যমেই এই মন্দির নির্মাণ। মন্দিরে প্রতিদিন নিত্যপুজো হয়। স্থানীয় বাসিন্দাদের বিশ্বাস, কোনও কাজ শুরু করার আগে বা বিপদ-আপদে এই মন্দিরে প্রার্থনা করলে তা কখনও ব্যর্থ হয় না। সংকটের সময়ে বহু মানুষ এখানে এসে বজরংবলীর কাছে মানত করেন।
আরও পড়ুন : দারুণ রেজাল্ট! নতুন চাকরির খোঁজ! স্ত্রীর সঙ্গে সুসম্পর্ক! সরস্বতী পুজোয় বাম্পার সৌভাগ্য ৩ রাশির
উল্লেখযোগ্যভাবে, মাদরাল মন্দির চত্বরে পাতালে অবস্থানরত মহাদেবের একটি মন্দিরও রয়েছে। তবে সোশ্যাল মিডিয়ার যুগে ধীরে ধীরে এই মন্দিরের পরিচিতি বাড়ছে। প্রতিদিন দূরদূরান্ত থেকে তাই ভক্তরা আসছেন এই মন্দিরে পুজো দিতে। ভক্তদের মতে, কাঁকিনাড়ার মাদরাল হানুমান মন্দির শুধু ধর্মীয় স্থান নয়, বরং বিশ্বাস, ইতিহাস ও লোককথার এক অনন্য মিলনস্থল।