দীর্ঘদিন ধরে রেডিওর মাধ্যমে সাঁওতালি ভাষা ও সংস্কৃতিকে বৃহত্তর পরিসরে তুলে ধরার ক্ষেত্রে মতিলাল হাঁসদার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তাঁর অসামান্য সাংস্কৃতিক অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে একাধিক পুরস্কার ও সম্মানে ভূষিত হয়েছেন তিনি। রেডিওর স্বর্ণযুগে তার কণ্ঠ সাঁওতালি সমাজের বহু মানুষের কাছে ছিল অত্যন্ত পরিচিত ও প্রিয়।
advertisement
কণ্ঠের মাধুর্য, সুরের গভীরতা এবং লোকসংস্কৃতির প্রতি তার আন্তরিক অনুরাগ তাঁকে আজ রেডিও জগতের এক সুপরিচিত শিল্পীতে পরিণত করেছে। বর্তমানে বয়সের ভারে আগের মত নিয়মিত মঞ্চ বা অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা না গেলেও সংগীত ও রেডিও শিল্পের প্রতি তার ভালবাসা আজও অটুট। তিনি মনে করেন, রেডিও শিল্প শুধু বিনোদনের মাধ্যম নয়, এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য। তাই আগামী প্রজন্মের কাছে এই ঐতিহ্যকে পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সেই কারণেই বয়স বাড়লেও এই শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখার ইচ্ছা ও প্রচেষ্টা এখনও অব্যাহত রেখেছেন। পুরুলিয়া থেকে শুরু করে পার্শ্ববর্তী ঝাড়খণ্ড, বিহার ও আসাম রাজ্যেও তাঁর গান সমানভাবে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। সাঁওতালি লোকসংস্কৃতির প্রতিনিধিত্বকারী একজন শিল্পী হিসেবে মতিলাল হাঁসদা আজও বহু মানুষের কাছে অনুপ্রেরণার নাম।





