রাজ্য সরকারের উদ্যোগে মৎস্যজীবীদের সুবিধার্থে এমন উন্নতমানের মৎস্য বন্দর তৈরি করার যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে তার কাজ শুধু শুরু হওয়া নয়, পাশাপাশি কাজ শেষ করারও লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে এগিয়ে যাওয়া হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবে রাজ্য সরকারের এমন উদ্যোগে খুশি মৎস্যজীবীরা।
অত্যাধুনিক নতুন এই মৎস্য বন্দরে কী কী সুবিধা থাকবে এবং এর কাজ কবে শেষ হবে?
advertisement
আরও পড়ুন: পকেটে ৯টি মোবাইল! সন্দেহ হতেই বনগাঁ স্টেশনে ২ যুবককে পাকড়াও করল জিআরপি
প্রায় ৪০ কোটি টাকা ব্যয়ে নামখানার হাতানিয়া দোয়ানিয়া নদীর তীরে গড়ে তোলা হচ্ছে অত্যাধুনিক মৎস্যবন্দর। রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতরের উদ্যোগে এই বন্দরটি গড়ে তোলা হচ্ছে। নদীর তীরে প্রায় দেড় হাজার মিটার লম্বা ও আড়াইশো মিটার চওড়া জায়গার উপর এটি তৈরি করা হচ্ছে। এখানে থাকবে পানীয় জলের ট্যাঙ্ক, বরফকল, সর্বসাধারণের জন্য শৌচাগার ও প্রশাসনিক ভবন নির্মাণ করা হবে। এছাড়াও নদী থেকে ট্রলারকে ডাঙায় তুলে সারাই করার জন্য ড্রাই ডক তৈরি করা হবে। গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে নিয়ে এসে ট্রলারগুলি যাতে বন্দরে দাঁড়িয়ে, সেগুলি খালি করতে পারে, তাই র্যাম্প তৈরি করা হবে।
আরও পড়ুন: গভীর রাতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড! পুড়ে ছাই কাঠ মিল-ইলেকট্রনিক্স গোডাউন, আহত ১
এছাড়াও জাল সারাইয়ের জন্য চারটি ছাউনি করা ঘর থাকবে। মৎস্যজীবীদের রাত্রিযাপনের জন্য আলাদা ভবন নির্মাণ করা হবে। কয়েক হাজার কেজি মাছ সংরক্ষণ রাখার জন্য বড় ধরনের শীতলতম ঘর থাকবে। এখানে অত্যাধুনিক প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে ট্রলারের বিভিন্ন কাজকর্ম করা হবে। ২০২৭ সালের জানুয়ারি মাসের মধ্যে বন্দর তৈরির কাজ সম্পূর্ণ করতে হবে।
