অন্যদিকে বৈষ্ণবদের ক্ষেত্রে মাঘী পূর্ণিমা, কার্তিক মাস সহ নানান সময়ে। শুধু ওই অঞ্চলের নয়, সমগ্র শান্তিপুর, এমনকি বহিরাগত বহু ধর্মপ্রাণ মানুষ শান্তিপুর এসে পূণ্য স্নান করেন। তবে প্রয়াত শান্তিপুরের জননেতা দীর্ঘদিনের বিধায়ক অজয় দে একটি ঘাট সংস্কার করেছিলেন। পুরসভার পক্ষ থেকে বিভিন্ন বিসর্জন ঘাট সংস্কার হলেও, স্নানের ঘাট মূলত সেচ দফতরের অধীনস্ত। তাই এ বিষয়ে মানস ভুঁইয়ার সঙ্গে কথা বলে দফতরের বিভিন্ন সরকারি আধিকারিকদের সহযোগিতায় এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সদিচ্ছায় এই কাজ শুরু হতে চলেছে।
advertisement
আরও পড়ুন: খড়বোঝাই গাড়িতে দাউদাউ করে আগুন, মথুরাপুরে ভয়াবহ দৃশ্য! বাঁচতে ফিল্মি কায়দায় লাফ দিলেন চালক
১৫৭ টি কর্ম দিবসে শেষ করার কথা হলেও জলস্তর বৃদ্ধির ওপর নির্ভর করে কাজের গতিপ্রকৃতি। তবে স্নানের ঘাট যাতে পিচ্ছিল না হয়, সে জন্য বিশেষ ধরনের নির্মাণ এবং একইসঙ্গে সিঁড়ি তৈরি হবে। সেই কাজ শেষ হওয়ার পরেই জলের মধ্যে বালির বস্তা দেওয়া, মহিলাদের পোশাক বদলের ঘর নির্মাণের কথা বলা হয়েছে শ্যামচাঁদ ঘাটে। কিছুটা দূরেই শিবতলা ঘাট নামে পরিচিত স্নানের ঘাটের সিঁড়ি এবং সৌন্দর্যায়নও হতে চলেছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে স্টিমার ঘাটের ক্ষেত্রেও উন্নয়নের প্রাথমিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। বিধায়কের কথা অনুযায়ী সেটাও অল্প দিনের মধ্যেই বাস্তবায়িত হবে। পুরসভার ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৃন্দাবন প্রামাণিক ভাগীরথী তীরবর্তী তার ওয়ার্ডে সমস্ত ঘাট সংস্কার এবং নির্মাণ প্রসঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং নদিয়া সেচ দফতরের প্রতি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেন। বিধায়ক ডঃ ব্রজ কিশোর গোস্বামীর তৎপরতার প্রশংসা করেন। অন্যদিকে এই উদ্যোগে খুশি গঙ্গাপাড়ের মানুষজন সহ সকল ধর্মপ্রাণ মানুষজন।






