ছোট ছোট ঘর হলেও মাত্র দুই এক ঘণ্টার বিনিময়ে মোটা টাকা পেয়ে থাকে লজের মালিক আর তাতেই নাবালক নাবালিকাদের আনাগোনা লেগেই থাকে। তা সে দিন হোক কিংবা রাত। একদিকে তোপখানাপাড়া লেন, অন্যদিকে ডাবরে পাড়া নতুনহাট সংলগ্ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই দুটি পাড়ার কোনও বদনাম নেই, শুধুমাত্র এই লজ ছাড়া। লজই এখন তাদের কাছে লজ্জার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
advertisement
প্রবীণরা এবং মহিলারা জানাচ্ছেন, মাথা নিচু করে চলাচল করতে হয়, শুধু একটি পরিবারের অবৈধ ব্যবসার মুনাফার কারণে। এ বিষয়ে স্থানীয় ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলরকে বলেও লাভ হয়নি। আজও মীমাংসার জন্য তার ছেলে এসেছিল, পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সেও চলে গেছে। তবে এলাকার সকল মানুষজন এবার জোটবদ্ধ হয়েছেন। গণস্বাক্ষরের মধ্য দিয়ে এই লজ সম্পূর্ণভাবে বন্ধের জোড়াল আবেদন করবেন তারা। প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হবেন।
আরও পড়ুন: কম সময়ে বিপুল আয়! গরমে ব্যাপক চাহিদা, ধান কাটার পর এই চাষে আয়ের নতুন দিশা দেখছেন পুরুলিয়ার চাষিরা
তবে এ প্রসঙ্গে অভিযুক্ত লজের মালিক অবশ্য তার দোষ অস্বীকার করে বলেন, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই স্বামী-স্ত্রী আসেন কাপড় কিনতে। তবে তাদের পরিচয়পত্র কিংবা রেজিস্টার্ড খাতায় নাম লিপিবদ্ধকরণ এবং সম্পর্কের কাগজপত্র কিছুই দেখাতে পারেননি তিনি। লজের সামনের দিকে হইহট্ট গোল চেঁচামেচির মধ্যে দিয়েই পিছন দিয়ে এক নাবালিকাকে পালিয়ে যেতে সহযোগিতা করে অভিযুক্তের মা, আর তখনই উত্তেজিত জনতা তাকে ধরে ফেলে পুলিশের হাতে তুলে দেয়। এলাকাবাসীরা এও জানাচ্ছেন মা-বাবা রীতিমতো ছেলের এই মধুচক্রের ব্যবসাতে সহযোগিতা করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
উত্তেজিত জনতা প্রথমেই শান্তিপুরের এক যুবককে আপত্তিজনক অবস্থায় ধরে লজেরই একটি ঘরে আটকে রেখেছিল। পুলিশ আসার পর তাকেও পুলিশের হাতে তুলে দেয়। উত্তেজিতকর পরিস্থিতির মধ্যে থেকে নাবালক নাবালিকাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় শান্তিপুর থানার পুলিশ, লজের রেজিস্টার এবং অন্যান্য পরিচয় পত্র সব সঠিক আছে কিনা তা ক্ষতিয়ে দেখছে শান্তিপুর থানার পুলিশ। অন্যদিকে এলাকাবাসীরা গণস্বাক্ষর সংগ্রহ করে ওই লজ বন্ধের দাবিতে আবেদনপত্র জমা দিতে চলেছে।






