বিভিন্ন স্টেশনের প্ল্যাটফর্মের পাশে বিভিন্ন পাইকারি বাজারে প্রতিদিন সকাল থেকেই ক্রেতা ও বিক্রেতাদের ভিড় থাকে চোখে পড়ার মতো। এই জায়গাগুলি থেকেই ট্রেন ও পণ্যবাহী গাড়িতে করে কলকাতা, মেদিনীপুর-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয় শাখ আলু। ফলে বাজারে চাহিদা থাকায় দামে স্থিতিশীলতা বজায় রয়েছে।
আরও পড়ুন: স্বাধীনতার ৭৯ বছর পেরিয়েও মেলেনি ট্রেন, এবার করিমপুর-কৃষ্ণনগর রেললাইনের দাবিতে রাস্তায় সাধারণ মানুষ
advertisement
স্থানীয় চাষিদের মতে, এবছর অনিয়মিত বৃষ্টি ও আবহাওয়ার পরিবর্তনের কারণে জমিতে ফলন কিছুটা কম হয়েছে। তবে বর্তমান বাজারদর তাঁদের জন্য স্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এক চাষির কথায়, “ফলন কম হলেও এই দামে বিক্রি হওয়ায় খরচ উঠে আসছে, সামান্য লাভও হচ্ছে।” চিকিৎসকদের মতে, শাখ আলু হজমের জন্য উপকারী, লিভার ভাল রাখতে সাহায্য করে এবং শীতের মরসুমে এর চাহিদা স্বাভাবিকভাবেই বেড়ে যায়।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
সরস্বতী পুজোর সময়েও এই ফলের চাহিদা থাকে বেশি। গঙ্গা তীরবর্তী নদিয়া ও পূর্ব বর্ধমানের মনমোহনপুর, কিশোরগঞ্জ, মানিকনগর ও গয়েশপুর এলাকা বর্তমানে শাখ আলু চাষের জন্য পরিচিত হয়ে উঠেছে। ভাল দাম ও চাহিদা বজায় থাকলে আগামী দিনে এই চাষ আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদী কৃষকরা।





