খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রঘুনাথপুর থানার পুলিশ কর্মী ও দমকলের দুটি ইঞ্জিন। দমকলের বেশ কিছুক্ষণের প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, কোর্ট সংলগ্ন এলাকার প্রায় আটটি দোকান পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে যায়। দোকানের ভিতরে থাকা সমস্ত জিনিস পুড়ে ছাই হয়েছে। তবে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতের কোনও খবর মেলেনি। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, স্থানীয় একটি চায়ের দোকানের ছোট সিলিন্ডার থেকেই হয়তো আগুন লাগার ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও দমকল গোটা ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে।
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দা বাদল চন্দ্র গড়াই বলেন, তিনি আচমকাই দেখতে পান সারি সারি দোকানে দাউদাউ করে আগুন জ্বলছে। তখনই তিনি খবর দেন দমকলে। কী করে এই আগুন লেগেছে তা স্পষ্ট নয় কারও কাছেই। স্বাভাবিকভাবেই মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে, তবে বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে।
দু’দিন আগেই ভয়াবহ আগুন লাগে পুরুলিয়ার অবৈধ বাজি কারখানায়। পুরুলিয়া শহর সংলগ্ন শ্মশান কালী মন্দির এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। অগ্নিকাণ্ডে দু’জন আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। বুধবার পুরুলিয়া শহর লাগোয়া মফস্বল থানার অন্তর্গত বঙ্গাবাড়ি শ্মশান কালী মন্দির সংলগ্ন এলাকায় একটি বাড়িতে বিকট শব্দ হয়। এর পরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই বাড়িতে দীর্ঘদিন থেকে অবৈধভাবে বাজি তৈরি করা হত। মজুত করে রাখা বাজি থেকেই এই অগ্নিকাণ্ড ঘটে। মুহূর্তে আগুনের লেলিহান শিখা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে। তড়িঘড়ি দমকলে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকলের দু’টি ইঞ্জিন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় আগুন নেভানোর কাজ চলে।
শর্মিষ্ঠা বন্দ্যোপাধ্যায়, পুরুলিয়া





