নতুন চাল, নতুন মিষ্টি-সহ একাধিক জিনিস দিয়ে শুরু হয় এই নবান্ন উৎসব। এমনটাই বছরের পর বছর চলে আসছে এখানে। এবছর এই নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ৬৫ হাঁড়ি খিচুড়ি ভোগ করা হয়েছে। প্রায় চার হাজার মানুষ অন্নভোগ গ্রহণ করেন এখানে।
আরও পড়ুনঃ জেলার চাষিদের জন্য দারুণ সুখবর! ভাঙড়ে তৈরি হচ্ছে আধুনিক হিমঘর, নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ
advertisement
নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ছোটখাট মেলাও বসে বড়াশি গ্রামে। নবান্ন উৎসব এখানে একটি আনন্দময় এবং ঐতিহ্যবাহী উৎসব হিসেবে পালিত হয়। এটি নতুন শস্য এবং সমৃদ্ধির প্রতীক। নবান্ন উৎসবের দিন সকালে গ্রামের মানুষ মন্দিরে পুজো দেয়। এরপর তারা নতুন ফসল এবং তৈরি করা খাবার ভগবানের উদ্দেশ্যে নিবেদন করেন। এরপর সেখানে চলে অন্নভোগ।
নবান্ন উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত মেলাতে স্থানীয় শিল্পীরা তাদের তৈরি করা জিনিসপত্র বিক্রি করেন। এছাড়াও, মেলাগুলিতে বিভিন্ন ধরনের খাবার এবং খেলনার দোকান থাকে। এ নিয়ে বড়াশি শিব মন্দিরের পুরোহিত বিশ্বনাথ চক্রবর্তী বলেন, ‘নবান্ন উৎসব একটি সামাজিক উৎসব। যা গ্রামের মানুষকে একত্রিত করে এবং তাদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ঐক্য গড়ে তোলে। এই উৎসবটি আমাদের সংস্কৃতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতিবছরের মতো এবছরও এই উৎসব পালিত হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
এ নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দা সঞ্জীব বৈদ্য জানিয়েছেন, এই মন্দির খুবই প্রাচীন। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই উৎসব মাঘ মাসেই হয়। ফলে এখানকার নবান্ন উৎসব মাঘ মাসেই।





