প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, ঘাটে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় প্রায়শই ঝুঁকির মধ্যে পারাপার করতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। কয়েক বছর আগেও একই ঘাটে চারচাকা গাড়ি নদীতে পড়ে এক শিক্ষকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছিল। সেই ঘটনার পর বড় ভেসেল ও ছোট লঞ্চ চালুর ব্যবস্থা করা হলেও বর্তমানে বড় ভেসেল সরিয়ে নেওয়ায় ছোট একটি ভেসেলেই গাড়ি, স্কুলের ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ যাত্রীদের একসঙ্গে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
advertisement
স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, ‘একটি ছোট ভেসেলে একসঙ্গে মানুষ আর গাড়ি তোলা অত্যন্ত বিপজ্জনক। ঘাটে নেই পর্যাপ্ত র্যাম্প, নেই সুরক্ষা রেলিং বা নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা। প্রশাসনের নজরদারি জরুরি। ঘটনার পর ঘাটের কর্মী ও স্থানীয়রা মিলে গাড়িটি নদী থেকে তোলার চেষ্টা চালান। তবে প্রশ্ন উঠছে, আগের দুর্ঘটনার পরও কেন পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হল না?
আরও পড়ুন-বিরাট সুখবর! নৈহাটির বড়মার মন্দিরে গিয়ে আর দিতে হবে না লাইন! কারা পাবেন বিশেষ সুবিধা? জানুন
ঘাটে বড় ফেরি পুনরায় চালু করা এবং যাত্রী ও গাড়ির জন্য আলাদা পারাপারের ব্যবস্থা করার দাবি উঠেছে। প্রশাসনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া মেলেনি। তবে এলাকাবাসীর একটাই দাবি—আর কোনও প্রাণহানি নয়, অবিলম্বে নিরাপত্তা জোরদার করা হোক।





