আর এ বিষয়ে শুভেন্দু অধিকারী এবং অম্বিকা রায় সহ সব পক্ষকে নোটিস জারি করল সুপ্রিম কোর্ট। ৪ সপ্তাহের মধ্যে নোটিসের জবাব দিতে নির্দেশ। ৬ সপ্তাহ পর মামলার শুনানি হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে কৃষ্ণনগর উত্তর কেন্দ্র থেকে বিজেপির টিকিটে ভোটে দাঁড়িয়েছিলেন মুকুল। জিতে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। তবে বিধায়কপদ থেকে ইস্তফা দেননি। ফলে তৃণমূলে যোগ দিলেও মুকুল আদতে তিনি বিজেপি বিধায়ক হয়েই থেকে গিয়েছিলেন। বিধানসভার স্পিকারের কাছে বিজেপি এ বিষয়ে অভিযোগ জানালে স্পিকার জানিয়ে দিয়েছিলেন, মুকুল বিজেপিতেই আছেন।
advertisement
তাই তাঁর পদ খারিজ করা যাবে না। এমনকি, তাঁকে পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির (পিএসি) চেয়ারম্যানও করা হয়েছিল। সাধারণত, ওই পদে বিরোধী দলের সদস্যকে বসানো হয়। এর পরেই মুকুলের বিরুদ্ধে দলত্যাগ বিরোধী আইনে মামলা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গত ১৩ নভেম্বর দলত্যাগ বিরোধী আইনে মুকুলের বিধায়ক পদ খারিজ করে দেয় কলকাতা হাই কোর্ট। এবার সেই নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।
