বুধবার রাতে এই AIMIM নেতাকে দেখা গিয়েছিল মালদহের কালিয়াচকের ২ ব্লকের অফিসের বাইরে জোটবদ্ধ জনতার সামনে ভাষণ দিতে। একটি গাড়ির বনেটে উঠে তিনি যে ভাষণ দিচ্ছিলেন। যেটি উস্কানিমূলক ছিল বলেই মত অধিকাংশের। এই উস্কানির জেরেই বিক্ষুব্ধ মানুষ ৭ বিচার বিভাগীয় আধিকারিককে ঘেরাও করেছিলেন বলে অভিযোগ।
আরও পড়ুন: এসআইআর বিতর্কে স্বস্তির বার্তা! বাদ পড়া ভোটারদের নাম ফেরাতে বড় উদ্যোগ প্রশাসনের
advertisement
বাগডোগরা থানাতেই রাখা হয়েছে ধৃত মোফাক্কেরুল ইসলামকে। গ্রেফতারের পর তিনি বাগডোগরা বিমানবন্দর পুলিশ ফাঁড়ি থেকে ফেসবুক লাইভ করেন। বর্তমানে সেই ফেসবুক লাইভ ডিলিট করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ধৃতকে জেরা করতে আসছেন শিলিগুড়ি পুলিশ কমিশনার বলে খবর।
সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে নির্বাচন কমিশন মোফাক্কেরুলের নামে বৃহস্পতিবারই গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিল। তার পর থেকে পুলিশ তাঁকে বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেছে। বৃহস্পতিবার মোফাক্কেরুলকে একাধিক বার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। জবাব দেননি মোবাইল-বার্তারও। তবে শুক্রবার সকালে বাগডোগরা বিমানবন্দরে গ্রেফতার হওয়ার সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মোফাক্কেরুল লিখেছেন, ‘ভাল থাকুন আপনারা’।
আরও পড়ুন: ছাঁটাইয়ের মাঝেই চাকরির খবর, ভারতে ৫০,০০০ কর্মী নিয়োগ মার্কিন বহুজাতিক সংস্থার, AI দক্ষতায় বিশেষ জোর
ইটাহারের পোরসা হাটখোলার বাসিন্দা চল্লিশোর্ধ্ব মোফাক্কেরুল এক সময়ে রায়গঞ্জ জেলা আদালতের আইনজীবী ছিলেন। পরে কলকাতা হাইকোর্টেও মামলা করতেন। হাইকোর্টের কাছেই তাঁর চেম্বার। স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কলকাতায় থাকেন। ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তিনি আসাদউদ্দিন ওয়েইসির দল এমআইএম (মিম)-এ যোগ দেন। প্রার্থীও হন। গত বিধানসভা নির্বাচনে ইটাহারের এমআইএম প্রার্থী হিসাবে মাত্র ৮৩১টি ভোট পেয়েছিলেন মোফাক্কেরুল।
