কেন্দ্রীয় স্তর থেকে জেলা স্তর-দুই ক্ষেত্রেই আলাদা আলাদা ‘ইন চার্জ’ নিযুক্ত করা হয়েছে।সেন্ট্রাল ফাংশনের দায়িত্বে রয়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য। পাশাপাশি শোভনলাল হাজরা, ইয়াসিন রহমান, মলয় ভট্টাচার্য এবং সামিম আহমেদের মতো নেতাদের নাম ও যোগাযোগ নম্বরও দেওয়া হয়েছে।এছাড়াও ‘ডিস্ট্রিক্ট ওয়াইজ’ তালিকায় কলকাতা, হাওড়া, হুগলি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমান, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, মুর্শিদাবাদ, মালদহ থেকে শুরু করে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলির জন্য আলাদা দায়িত্বপ্রাপ্তদের নাম ও ফোন নম্বর প্রকাশ করা হয়েছে।
advertisement
প্রতিটি জেলার জন্য একজন করে ‘ইন চার্জ’ রাখা হয়েছে, যাতে স্থানীয় স্তরেই দ্রুত সমস্যা সমাধান করা সম্ভব হয়।কেন্দ্রীয় স্তরে দায়িত্বে রয়েছেন অরিন্দম ভট্টাচার্য (৯৮৩০১৩৫৬৬০)। এছাড়াও যোগাযোগ করা যাবে শোভনলাল হাজরা (৭০০৩৮১৬৩৯৫), ইয়াসিন রহমান (৯৮৩০২৪১৮১৩), মলয় ভট্টাচার্য (৯৮৩০৭৫৩৯৪৭) এবং সামিম আহমেদের (৯১৬৩৫৯৬৭৩১) সঙ্গে।
জেলা ভিত্তিক তালিকায় কলকাতা: স্বরূপ পাল (৯৪৩২৯৬৯৯১৬)হাওড়া: সুবীর প্রধান (৯৮৩০৬১৬৬০১)হুগলি: অমিত বার (৯৮৩১০৮৬৩৪১)পূর্ব বর্ধমান: প্রদীপ আইচ (৮৬১৭৪৫২২১৪)পশ্চিম বর্ধমান: বিনিময় সরকার (৯৩৩২২০৬৬০২)উত্তর ২৪ পরগনা: সুকান্ত রক্ষিত (৯৮৩১৪৪২৬২৭)দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গৌতম চট্টোপাধ্যায় (৮৭৭৭২৯১৮৭৭)এছাড়াও বীরভূম: সুপ্রতিম বন্দ্যোপাধ্যায় (৯৪৩৪৪৬০৮৯৬)বাঁকুড়া: অমিতাভ ঘোষ (৯০৬৪৩৫০৩৪৯)পুরুলিয়া: মানব মুখার্জী (৯৪৩৪৩২৪৪৬৩)নদিয়া: দেবাশিস চক্রবর্তী (৯৪৩৪১৯৩৮২৬)পূর্ব মেদিনীপুর: শঙ্কর কারক (৯৪৩৪২৩৬৫০২)পশ্চিম মেদিনীপুর: সমরেশ চক্রবর্তী (৯৬৪১২০২০৩৮)মুর্শিদাবাদ: সৈবেন্দ্রনাথ সরকার (৯৭৩৪৬৫৪৩২৮)মালদহ: দীপক বন্দ্যোপাধ্যায় (৯৫৪৭১৭৭৮৩৮)
উত্তরবঙ্গেও একই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। দেখুন সেই তালিকা- উত্তর দিনাজপুর: সামসাদ আলম (৭৭৯৭৩১০৫০৩), দক্ষিণ দিনাজপুর: কৃষ্ণদাস দাস (৭০৭৬৫৪০৫৭১), দার্জিলিং: দিবাকর রায় (৭৭৯৭২৯১১০৮), জলপাইগুড়ি: শঙ্কর দে (৯৪৩৪৪১৩৭৫৯), কোচবিহার: পার্থ প্রতিম সেনগুপ্ত (৮২৫০৩৬২৫১৮), আলিপুরদুয়ার: অনুজকান্ত মিত্র (৯৪৩৪৪৯১৭৩১) এবং ঝাড়গ্রাম: শান্তনু ঘোষ (৮৯১৮৬৯৬৩৪৩)।
আরও পড়ুন : দলকে ঘুরে দাঁড়ানোর টনিক দিলেন সুজন চক্রবর্তী… সিপিএমের এক সময়ের শক্ত ঘাঁটি খেজুরিতে আর কী বললেন সুজন?
রাজনৈতিক মহলের মতে, নির্বাচনের আগে ভোটারতালিকা নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার প্রেক্ষিতেই এই পদক্ষেপ করছে সিপিআইএম। এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছনোর পাশাপাশি ভোটাধিকার রক্ষার বার্তাও স্পষ্ট করতে চাইছে দল।সব মিলিয়ে, ভোটের মুখে এই হেল্পলাইন পরিষেবা চালু করে সিপিআইএম একদিকে যেমন সংগঠনকে সক্রিয় করছে, তেমনই ভোটারদের আস্থা অর্জনের দিকেও জোর দিচ্ছে বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা।






