মহঃ সেলিম বলেন, “সিপিআইএমের কাছে চিটফান্ড, কর্পোরেট ফান্ড, গরু, কয়লা বা সোনা পাচারের কালো টাকা নেই। সেই কারণেই মানুষের কাছে গিয়ে অর্থ সংগ্রহ করে নির্বাচন লড়তে হয়।” মানুষের টাকায় মানুষের লড়াইকে আরও জোরদার করতেই রাস্তায় নেমেছে সিপিআইএম, এমনটাই তাঁর বক্তব্য।
মাধ্যমিকের দ্বিতীয় দিনে বাতিল পাঁচ জনের পরীক্ষা! সাসপেন্ড বেশ ক’জন শিক্ষক! কী ঘটেছিল?
advertisement
লোকসভায় চেয়ার লক্ষ্য করে কাগজ ছোড়ায় বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ! ‘চরম অপমান!’ বললেন স্পিকার
হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে জোট প্রসঙ্গে সরাসরি কোনও মন্তব্য না করলেও কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে মহঃ সেলিম বলেন, “কথা হবে ঠিকই, তবে জোট নয়।” তাঁর দাবি, বর্তমানে কংগ্রেস কার্যত নীরব অবস্থানে রয়েছে।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়ানো এবং রাজনৈতিক লড়াইয়ে তৃণমূল স্তরের সমর্থন আরও মজবুত করাই সিপিআইএমের লক্ষ্য বলে জানান রাজ্য সম্পাদক।
তিন দশক আগে ১৯৯৬ সালে জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রিত্বে যেতে না-দেওয়ার সিদ্ধান্ত ঘিরে বিতর্কে আলোড়িত হয়েছিল সিপিএম। পরমাণু চুক্তির বিরোধিতা করে ২০০৮ সালে ইউপিএ-১ সরকার থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করা নিয়েও সিপিএমে নানাবিধ মতামত ছিল। ২০১৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেসের সঙ্গে বামেদের সমঝোতা নিয়েও কম তর্কবিতর্ক ছিল না দলের অন্দরে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সদ্য গজিয়ে ওঠা আব্বাস সিদ্দিকি, নওশাদ সিদ্দিকিদের পার্টির সঙ্গে সিপিএমের ঘনিষ্ঠতা নিয়েও দলের মধ্যে বিভাজন ছিল প্রকট। কিন্তু প্রবীণ সিপিএম নেতারাও মানছেন, মাত্র একটি বৈঠক ঘিরে এ হেন বিতর্ক সাম্প্রতিক সময়ে দলের মধ্যে দেখা যায়নি, যা শুরু হয়েছে বুধবার রাতে নিউ টাউনের হোটেলে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বৈঠকের পর।
