প্রথমে স্থানীয় বাসিন্দারা আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। কিন্তু আগুন নেভার বদলে আরও ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। গোডাউনের আগুন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। এরপরেই খবর দেওয়া হয় দমকলে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় দমকল বাহিনীর একাধিক ইঞ্জিন। দীর্ঘ সময় ধরে চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়। তবে আগুন সম্পূর্ণ নিভতে বেশ কিছুটা সময় লেগে যায়।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বর্ধমানের আকাশে ডার্বি, টানটান উত্তেজনা! মোহনবাগান নাকি ইস্টবেঙ্গল কে হবে ভোকাট্টা?
দমকল সূত্রে জানা গিয়েছে, গোডাউনের ভিতরে বিপুল পরিমাণ ট্রলি ব্যাগ ও প্লাস্টিকজাত সামগ্রী মজুত ছিল। যার ফলে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তীব্র আকার ধারণ করে। এই অগ্নিকাণ্ডের জেরে গোডাউনের ভিতরে থাকা প্রায় সমস্ত মালপত্র পুড়ে ছাই হয়ে গিয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে। সৌভাগ্যবশত, এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কোন আহত বা হতাহতের খবর নেই।
গোডাউনে আগুন লাগার সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়। প্রাথমিকভাবে শর্ট সার্কিট থেকেই আগুন লেগে থাকতে পারে বলে অনুমান দমকল ও পুলিশ প্রশাসনের। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। পাশাপাশি গোডাউনে অগ্নি-নিরাপত্তা ব্যবস্থা ঠিক ছিল কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
