মমতা বলেন, ‘মেয়েদের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার চিরদিন চলবে। ৬০ বছর পরও পাবেন। আমরা প্রতিশ্রুতি দিই না, করে দেখাই। বিহারে নির্বাচনের আগে মহিলাদের হাতে টাকা দেওয়া হয়। তারপর আর তোমার দেখা নাই। অন্য রাজ্যে আমাদেরটা টুকলিও করতে পারে না। সরকারি সুবিধা প্রকল্প নিয়ে কটাক্ষ।’ মমতার দাবি, ‘আয়ুষ্মান প্রকল্প সকলের জন্য নয়, স্বাস্থ্যসাথী সব্বার জন্য। ওরা মিথ্যে কথা বলে। ওরা শুধু লাইনে দাঁড় করায়। এবারে গ্যাসের জন্য লাইন। মানুষ খেতে পাবে না। আবার পুরনো দিনে ফিরে যেতে হবে। হাজার টাকা খরচ করে আধার কার্ড করার পর এখন বলছে ভোটার কার্ডের জন্য নয়।’
advertisement
আরও পড়ুন: তৃতীয়বারের মতো রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর তৃণমূলের সাক্ষাৎ-অনুরোধ প্রত্যাখ্যান, কারণ কী?
ময়নাগুড়ির সভা থেকে নাম না-করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিশানা করেন মমতা। তিনি বলেন, ”এ দিকে এক ভদ্রলোক আছেন, আর দিল্লিতে দুই ভদ্রলোক। এক, দুই, তিন– ওদের বিদায় দিন।”
আরও পড়ুন: ট্রেনের টিকিট বাতিলের নিয়মে বড়সড় বদল, কনফার্ম টিকিট বাতিল করলে এখন…! যাত্রীরা জানুন
বিজেপিকে নিশানা করে মমতা বলেন, ”ওরা নোটবন্দির জন্য মানুষকে লাইনে দাঁড় করায়। আধার কার্ড, এসআইআরের জন্য লাইনে দাঁড় করায়। এ বার বলছে, দুটো গ্যাস সিলিন্ডার যদি আপনি বুক করতে চান, তবে ৩৫ দিন সময় লাগবে। গ্যাস বেলুনের গ্যাস বেরিয়ে গিয়েছে। মানুষ খেতে পাবে না। আবার পুরনো দিনে ফিরে যেতে হবে।”
মমতার দাবি, ”এখন এসআইআর করে ভোটাধিকার কাড়ছে, দু’দিন পর বলবে এনআরসি করে ডিটেনশন ক্যাম্প করব। আমি বেঁচে থাকতে ডিটেশন ক্যাম্প করতে দেব না। আমার পরের জেনারেশনও তা অ্যালাও করবে না।”
পার্থপ্রতিম সরকার
