শনিবার দুটি সভা রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর, সেই দুটি সভার পরে ইংরেজবাজারে মিছিলে হাঁটতে পারেন মমতা। মালদহে বিচারকদের হেনস্থার ঘটনায় ইতিমধ্যেই তুলকালাম হয়েছে। গ্রেফতার হয়েছেন অভিযুক্ত মোফাক্কেরুল ইসলাম-সহ একাধিক নেতা। এই ঘটনার পরে মমতার মালদহে মিছিলকে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে দুই আসনেই হারতে হয়েছিল তৃণমূলকে, এবার মালদহে জিততে মরিয়া তৃণমূল। ইংরেজবাজারে এবারের ভোটে প্রথমবার মিছিলে হাঁটতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী।
advertisement
আরও পড়ুন: দক্ষিণবঙ্গে গরম আরও বাড়বে, লাফিয়ে বাড়বে তাপমাত্রা! কবে বৃষ্টি হবে জানাল হাওয়া অফিস
প্রসঙ্গত, শুক্রবার নাম না করে অমিত শাহ ও আসাউদ্দিন ওয়েইসিকে আক্রমণ করেন তৃণমূলনেত্রী। তাঁর হুঙ্কার, ‘আগে মণিপুর সামলান মোটাভাই। সঙ্গে এজেন্সি আছে। তাই খুব মজায় আছে। ফোন করে করে লোকজনকে ভয় দেখান। কাজই ফোন করে ভয় দেখানো। আমাকেও এক দিন করেছিল। ভাল করে গুঁতিয়ে দিয়েছি। লড়াই করতে হলে সামনাসামনি করো। মুখোশ আমি টেনে খুলে দেব। উনি আগে থেকে বক্তৃতা লিখে রাখেন। টেলি প্রম্পটার ছাড়া একটা কথাও বলতে পারেন না। বিজেপিকে বেলাইন করার জন্য আমরা এ বার ভোটের লাইনে দাঁড়াব।’
আরও পড়ুন: ভোটের পরেও ৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্যে! নির্দেশ জারি করল আগাম সতর্ক কমিশন
মালদহে মোথাবাড়িতে বিচারকদের আটকে রাখা ও বিক্ষোভের ঘটনায় ক্ষুব্ধ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর কথায়, ‘মালদহের একটা ঘটনা বাংলার সম্মান নষ্ট করে দিয়েছে। স্থানীয় লোকেরা এর জন্য দায়ী নন। তাঁদের ক্ষোভ থাকতেই পারে। হায়দরাবাদ থেকে এসেছে বিজেপির কোকিল। তার সঙ্গে কিছু সাম্প্রদায়িক লোকজন। মালদহে তারাই এসব করছে। আমরা হাতেনাতে ধরেছি। বিমানবন্দর থেকে সিআইডি ধরেছে। বিচারকদের কারা আটকে রেখেছিল? বহিরাগতেরা।’
