তবে গত কয়েক বছর আগে একের পর এক নার্সারিতে কর্মরত স্থায়ী শ্রমিক অবসর নেওয়ায় বন্ধ রয়েছে একাধিক কাজ। স্থানীয়দের দাবি দ্রুত এই রেশম শিল্পের নার্সারি ফার্মকে আবার চালু করা হোক। স্থানীয় এক বাসিন্দা অজয় মণ্ডল জানান, “এই রেশম নার্সারিতে স্থানীয়রা কাজ পেতেন। প্রায় ১২ বছর থেকে এখন কাজ বন্ধ রয়েছে। পুনরায় আবার চালু হলে স্থানীয় বেকার মানুষজন কাজের সুযোগ পাবে।” নার্সারিতে কর্মরত এক কর্মী সঞ্জয় মণ্ডল জানান, “বর্তমানে এই ফার্মে তিনটি জমিতে তুঁত পাতা চাষ করা হচ্ছে। প্রক্রিয়াকরণের জন্য পলু পালন ঘর রয়েছে। যেখানে গুটি তৈরি হত।
advertisement
আরও পড়ুন: বইয়ের পাতা ছেড়ে দেওয়ালে নজর, এই মডেলে খেলার ছলে পড়াশোনা শিখছে পড়ুয়ারা! দেখে ধন্য ধন্য করছে সকলে
তবে যথেষ্ট পরিমাণের শ্রমিক না থাকায় প্রক্রিয়াকরণের কাজ বন্ধ রয়েছে। এটি চালু হলে সবার ভাল হবে।” এই বিষয়ে জেলা সেরিকালচার আধিকারিক সুরজিৎ চৌধুরী জানান, “জেলায় মোট তিনটি রেশম ইউনিট রয়েছে এবং অন্যান্য ইউনিটে নিয়মিত কাজ চলছে। তবে সাদুল্লাপুর নার্সারিতে কর্মচারী স্বল্পতার কারণে প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ রয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
আগামী দিনে ‘কর্মশ্রী’ প্রকল্পের আওতায় এবং স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের যুক্ত করে পুনরায় ইউনিটটি সচল করার পরিকল্পনা রয়েছে।” মালদহ জেলার ঐতিহ্যবাহী শিল্পগুলির মধ্যে অন্যতম রেশম চাষ। একসময় এই শিল্পকে ঘিরে বহু পরিবারে সুতো তৈরির কাজের ব্যস্ততা দেখা যেত। আজও কালিয়াচক, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর ও গাজোল ব্লক এলাকায় রেশম চাষ হয়ে থাকে। তবে সরকারি এই ইউনিট পুনরায় সচল হলে রেশম চাষে নতুন গতি আসবে এবং স্থানীয় স্তরে কর্মসংস্থান আরও বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করছেন অনেকে।





