অভিযোগ, কেউ ছয় মাস, কেউ আবার এক বছর বেতন পাননি। তবে পরিষেবার সুবিধার্থে নিয়মিত কাজ করে গিয়েছেন। জাহানারা খাতুন নামে এক পাম্প অপারেটর বলেন, “বিগত ছয় মাস ধরে বেতন বন্ধ রয়েছে। মানুষের সুবিধার্থে নিয়মিত কাজ করে চলেছি। এই বেতন দিয়ে সংসার চলে। টাকা নেই, অসহায় অবস্থায় দিন কাটাতে হচ্ছে। কীভাবে পরিবার চলবে কিছুই বুঝে উঠতে পারছি না।”
advertisement
আরও পড়ুনঃ ফেলে দেওয়া মাছের আঁশ থেকেই লক্ষ্মীলাভ! গয়না-শো-পিস বানিয়ে আয় করছেন মহিলারা, ট্রাই করতে পারেন আপনিও
এদিন মালদহের ইংরেজবাজার ব্লকের দৌলতপুরে বিভাগীয় জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের প্রধান কার্যালয়ে হাজির হন মালদহ সহ উত্তর দিনাজপুর ও দক্ষিণ দিনাজপুরের শতাধিক অস্থায়ী কর্মীরা। উত্তর দিনাজপুর পাম্প অপারেটর কমিটির সম্পাদক নিরঞ্জন ঘোষ জানান, “দীর্ঘদিন ধরে লিখিত আবেদনের মাধ্যমে বেতনের দাবি জানিয়ে আসছি। কারও ছয় মাস, কারও আবার এক বছরের বেশি সময়ের বেতন বকেয়া রয়েছে। যদিও মানুষের সুবিধার্থে পরিষেবা চালু আছে। লিখিত আবেদন জানিয়েছি বেতন না মিললে আগামীতে জল বন্ধ করতে বাধ্য হব।”
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
মালদহ, উত্তর দিনাজপুর এবং দক্ষিণ দিনাজপুর তিনটি জেলায় সব মিলিয়ে প্রায় ৩০০০ অস্থায়ী কর্মী রয়েছেন। তিনটি জেলার জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের বিভাগীয় প্রধান কার্যালয় মালদহে। তাই এদিন বকেয়া বেতনের দাবিতে বঞ্চিত কর্মীরা প্রধান কার্যালয়ে জড়ো হন। যদিও দায়িত্বে থাকা জনস্বাস্থ্য কারিগরি দফতরের আধিকারিক তাপস মণ্ডল এই বিষয়ে কোনও সদুত্তর দিতে চাননি। এদিকে এদিন আবেদন জমা দেওয়ার পরেও বেতন না মিললে আগামীতে জল পরিষেবা বন্ধ থাকবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিন জেলার পাম্প অপারেটররা।






