মৃতের এক আত্মীয় মহিবুল হক জানান, “প্রতিবেশী এক মহিলা দীর্ঘদিন ধরে সেতাবুল শেখের জমিতে শ্রমিক হিসেবে কাজ করতেন। সেই সূত্রেই দু’জনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ওই সম্পর্কের মধ্যে টানাপোড়ন তৈরি হয়। পাশাপাশি টাকা-পয়সা সংক্রান্ত লেনদেন নিয়েও দু’পক্ষের মধ্যে বিবাদ চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই গতকাল রাত আনুমানিক ৮টা ২৮ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত মহিলা ফোন করে সেতাবুল শেখকে বাড়ির বাইরে ডেকে খুন করে।”
advertisement
অভিযোগ, এরপর রাত প্রায় ৯টা ১০ মিনিট নাগাদ সেতাবুল শেখের বাড়ি থেকে প্রায় ২০০ মিটার দূরে একটি বাগানের মধ্যে তাঁর রক্তাক্ত দেহ পড়ে থাকতে দেখতে পান স্থানীয়রা। স্থানীয়রা বিষয়টি লক্ষ্য করে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন। পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে দেহ উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান হলে চিকিৎসকেরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে রতুয়া থানার পুলিশ তদন্তে নেমে অভিযুক্ত ওই মহিলা এবং স্বপন মণ্ডল ও সাগর মণ্ডল নামে আরও দুই যুবককে গ্রেফতার করেছে। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পূর্বপরিকল্পিতভাবেই এই খুনের ঘটনা ঘটান হয়েছে। অভিযুক্তদের জিজ্ঞাসাবাদ করে ঘটনার প্রকৃত কারণ ও পেছনের উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা চলছে। এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের পরিবার অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।






