দীর্ঘ সময় তাঁর খোঁজ না মেলায় উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন পরিবারের সদস্যরা। শুরু হয় খোঁজাখুঁজি। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানতে পারে, ওই ব্যক্তি সাইকেল চালিয়ে মুকুটমনিপুরের দিকে রওনা দিয়েছিলেন। খবর পেয়েই রবিবার বিকেল থেকে মুকুটমনিপুর এলাকায় তল্লাশি অভিযান শুরু করে পুলিশ। তল্লাশিতে সহযোগিতায় নামে খাতড়া মহকুমা সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাও। রাতভর চলে উদ্ধারকাজ, কিন্তু রবিবার কোনও সন্ধান মেলেনি।
advertisement
অবশেষে সোমবার সকালে কংসাবতী জলাধারের লক গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে জল ভেসে ওঠে বিশ্বজিৎ ঘোষের দেহ। সিভিল ডিফেন্সের কর্মীরাই প্রথম দেহটি উদ্ধার করেন। পরে পুলিশ দেহটি উদ্ধার করে খাতড়া মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পুলিশ সূত্রে আরও জানা গেছে, জলাধারের ধারে একটি সাইকেল উদ্ধার হয়েছে, যা মৃত ব্যক্তির বলেই প্রাথমিকভাবে অনুমান। এই ঘটনার পর এলাকায় নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে—তিনি কি স্বেচ্ছায় জলাধারে ঝাঁপ দিয়েছিলেন, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও রহস্য?
ঘটনায় একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে খাতড়া থানার পুলিশ। দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য বাঁকুড়া মেডিকেল কলেজে পাঠান হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে এলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ স্পষ্ট হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।





