জানা গিয়েছে, গতকাল পরীক্ষা শেষে ছেলেকে হোস্টেলে পৌঁছে দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন সূর্য সামন্ত ও তাঁর স্ত্রী পারমিতা সামন্ত। স্কুটিতে চেপে তমলুক থেকে পাঁশকুড়ার দিকে যাওয়ার সময় চাপাডালির কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়েন তাঁরা। অভিযোগ, পেছন দিক থেকে আসা ঘাটাল–পাঁশকুড়া রুটের একটি বাস তাঁদের স্কুটিতে ধাক্কা মারে। ধাক্কার জেরে দু’জনেই রাস্তায় ছিটকে পড়েন।
advertisement
লোকসভায় চেয়ার লক্ষ্য করে কাগজ ছোড়ায় বরখাস্ত ৮ বিরোধী সাংসদ! ‘চরম অপমান!’ বললেন স্পিকার
‘৬ বার চিঠি লিখেছি! ২৪ বছর পর হঠাৎ করে নির্বাচনের আগে SIR কেন?’ কালো পোশাকে বঙ্গভবনে সোচ্চার মমতা
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, সূর্য সামন্ত ও পারমিতা সামন্ত—দু’জনেরই মাথায় হেলমেট ছিল। তবু দুর্ঘটনার অভিঘাতে দু’জনেরই মাথায় গুরুতর আঘাত লাগে এবং ব্যাপক রক্তক্ষরণ হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসকরা পারমিতা সামন্তকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত সূর্য সামন্ত বর্তমানে চিকিৎসাধীন।
পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, তাঁদের ছেলে সম্রাট সামন্ত চলতি বছর মাধ্যমিক পরীক্ষা দিচ্ছে। সে তমলুক হ্যামিল্টন হাই স্কুলের ছাত্র। পরীক্ষার সিট পড়েছিল তমলুকেরই একটি স্কুলে। পরীক্ষা শেষে ছেলের সঙ্গে দেখা করতেই তমলুকে গিয়েছিলেন বাবা-মা। সেখান থেকেই পাঁশকুড়ার মহৎপুরে বাড়ি ফেরার পথে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর ঘাতক বাসটিকে আটক করেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিশ। পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। একদিকে মাধ্যমিক পরীক্ষার চাপ, অন্যদিকে এমন আকস্মিক পারিবারিক বিপর্যয়ে ভেঙে পড়েছে পরিবার ও আত্মীয়স্বজনেরা। এলাকায় গভীর শোকের আবহ।
