মাত্র আড়াই বছর বয়স থেকেই শুরু হয় তার নৃত্যচর্চা। সেই ছোট্ট বয়স থেকেই তাল-লয়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বিভিন্ন গানের সঙ্গে অসাধারণ নাচ পরিবেশন করে সকলকে মুগ্ধ করে শিঞ্জিনী। ধীরে ধীরে তার প্রতিভা নজরে পড়তে শুরু করে সকলের। শিঞ্জিনীর বাবা সৌমিক এবং মা শুচিস্মিতা সান্যাল। একমাত্র মেয়ের প্রতিভাকে ছোট থেকেই উৎসাহ দিয়ে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন তাঁরা। পড়াশোনার পাশাপাশি ছবি আঁকাতেও যথেষ্ট দক্ষ শিঞ্জিনী। তবে তার সবচেয়ে বড় ভালোবাসা নাচ।
advertisement
প্রতিদিনই নিজের আগ্রহে নিয়ম করে নাচের অনুশীলন করে সে। নাচের জগতে তার প্রথম শিক্ষক ছিলেন তার মা-ই। মায়ের হাত ধরেই নাচের প্রাথমিক শিক্ষা শুরু। পরে বেলদার পরিচিত নৃত্যশিল্পী পিউলি পতি-র কাছে প্রশিক্ষণ নেয় শিঞ্জিনী। বর্তমানে আবার মায়ের কাছেই নিয়মিত তালিম নিচ্ছে সে। সময় পেলেই মা ও মেয়ে একসঙ্গে নাচের অনুশীলন করেন। এরই মধ্যে কলকাতা, দুর্গাপুর, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর এবং খড়গপুর-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় নৃত্য প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে শিঞ্জিনী। বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় সাফল্যও পেয়েছে সে। জেলা ও রাজ্য স্তরের একাধিক পুরস্কার ইতিমধ্যেই তার ঝুলিতে।
আরও পড়ুন : গরমে নাক দিয়ে রক্তপাত? সে সময় ভুলেও করবেন না ১ বিশেষ কাজ! গলায় প্রবাহিত হতে পারে রক্ত!
ছিপছিপে চেহারার এই শান্ত স্বভাবের মেয়েটি পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের প্রতিভা দিয়ে এগিয়ে চলেছে নাচের জগতে। তার নৃত্যশৈলী দেখে অনেকেই অবাক হয়ে যান। অনেকেই মনে করেন, পেশাদার নৃত্যশিল্পীদের মতোই তার দক্ষতা। বাবা-মায়ের স্বপ্নকে সঙ্গী করে ভবিষ্যতে আরও বড় মঞ্চে নিজের প্রতিভা ছড়িয়ে দিতে চায় বেলদার এই খুদে নৃত্যশিল্পী।





