স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সরষে ক্ষেতে কাজ করার সময় হঠাৎই একটি চিতাবাঘ ঝাঁপিয়ে পড়ে প্রসেনজিৎ রায়ের উপর। আচমকা হামলায় তিনি গুরুতরভাবে আহত হন। তার মাথায়, ঘাড়ে, পিঠে চিতা বাঘ কামড়ে ধরে। তার চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে ছেড়ে সরষে খেতে আশ্রয় নেয়। চিতাবাঘটি এখনও গ্রামে ঘুড়ে বেড়াচ্ছে বলে দাবি স্থানীয়দের। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন মরাঘাট রেঞ্জের বনকর্মীরা, সেই সঙ্গে ধূপগুড়ি বিধায়ক নির্মল চন্দ্র রায় এবং জেলা পরিষদ সদস্য মমতা বৈদ্য সরকার পৌঁছেছেন ঘটনাস্থলে।
advertisement
আরও পড়ুন: টি২০ বিশ্বকাপ নিয়ে বড় চক্রান্ত পাকিস্তানের! আইসিসি এবং ভারতের বিরুদ্ধে চরম পদক্ষেপ
ঘটনার পর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে প্রচুর মানুষ ভিড় জমায়। আহত প্রসেনজিৎ রায়কে উদ্ধার করে দ্রুত ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবস্থার অবনতি হলে প্রসেনজিৎকে রেফার করে দেওয়া হয় মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে।
আহত কৃষকের আত্মীয় বলেন, “ক্ষেতে কাজ করছিল। হঠাৎ করেই চিতাবাঘ আক্রমণ করে। প্রসেনজিতের মাথায় মুখে ঘাড়ে পিঠে সর্বত্র চিতা বাঘ নখ বসিয়ে দিয়েছে কামড়ে মাংস খুবলে নিয়েছে, আমরা খুব আতঙ্কের মধ্যে রয়েছি।”
স্থানীয়দের অনুমান, মরাঘাট রেঞ্জের অন্তর্গত খুট্টিমারি জঙ্গল অথবা সোনাখালী জঙ্গল থেকে চিতাবাঘটি লোকালয়ে ঢুকে পড়ে। ঘটনার খবর পেয়ে বন দফতরকে জানানো হয়েছে। বনকর্মীরা এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছেন এবং সাধারণ মানুষকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ঘন ঘন চিতাবাঘ লোকালয়ে ঢুকে পড়ায় আতঙ্কে রয়েছেন এলাকার বাসিন্দারা। দ্রুত উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে।
