স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী বিহারী মুর্মুর বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক রয়েছে সন্দেহ করে এই হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছেন দোষী বিনোদ। খুনের পাশাপাশি তথ্যপ্রমাণ লোপাটের অপরাধেও দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে তাকে। সরকারি আইনজীবী প্রবীর পাল জানান, স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কের সন্দেহে বিহারী মুর্মুকে খুন করেছিল বিনোদ, আদালতে তা প্রমাণিত হয়েছে।
advertisement
খুনের ঘটনাটি ঘটেছিল ২০১৩ সালে। স্ত্রীর সঙ্গে প্রতিবেশী বিহারী মুর্মুর পরকীয়া চলছে বলে সন্দেহ শুরু হয় বিনোদের। এই নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে অশান্তি লেগে ছিল। ৯ নভেম্বর, ২০১৩ রাতে বিহারী প্রতিবেশী বিনোদের বাড়িতে যান। সেই রাত থেকে নিখোঁজ হয়ে যান বিহারী। পরিবার বহু খোঁজাখুঁজি করে। দু’দিন পর ১১ নভেম্বর ঝাড়গ্রাম থানার অন্তর্গত আঁধারিশোল গ্রামের একটি ধানক্ষেত থেকে উদ্ধার পর বিহারীর দেহ। এরপরেই থানায় খুনের মামলা দায়ের করে নিহতের পরিবার। শুরু হয় তদন্ত।
আরও পড়ুনঃ লাটাগুড়ির রাস্তায় সঙ্গীহীন হাতির ‘দুষ্টুমি’! থমকে পরপর গাড়ি, দেখুন রোমাঞ্চকর দৃশ্য
তদন্তে নেমে পুলিশ গ্রেফতার করে বিনোদ হাঁসদাকে। সেই সময় তার বয়স ছিল ৫০ বছর। বিহারী খুনের মামলা ঝাড়গ্রাম এসিজেএম আদালত হয়ে ঝাড়গ্রামের দ্বিতীয় অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা আদালতে স্থানান্তরিত হয়। সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ বিচার করে বিচারপতি অরবিন্দ মিশ্র রায় দিয়েছেন, পরিকল্পিতভাবে ঠান্ডা মাথায় বিহারীকে খুন করেছে বিনোদ।
