প্রতিবেশীরা বারবার ডাকলেও কোনও সাড়া না পেয়ে শেষ পর্যন্ত পুলিশকে খবর দিতে বাধ্য হন। কিন্তু কেন এই পরিস্থিতি? স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, প্রায় এক মাস ধরে মহিলাকে বাড়ির বাইরে দেখা যায়নি। প্রতিবেশী উত্তরা ভট্টাচার্য জানান, “মাস খানেক আগে একবার ওনাকে বের হতে দেখেছিলাম। তারপর আর দরজা খোলেননি। অনেক ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাইনি।”
advertisement
ঘটনাস্থলে পৌঁছে পুলিশ জানলা খুলে ভিতরের পরিস্থিতি বোঝার চেষ্টা করে। তখনই দেখা যায়, অত্যন্ত দুর্বল অবস্থায় রয়েছেন ওই মহিলা। কঙ্কালসার শরীর নিয়ে তিনি পুলিশের সঙ্গে কথা বলেন। নিজের নাম শান্তা হোম বলে জানান এবং স্পষ্টভাবে বলেন, তিনি ঘর থেকে বের হতে চান না। পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে পুলিশ দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন জলপাইগুড়ি পুরসভার ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর পৌষালি দাস। পুলিশ, কাউন্সিলর ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় অবশেষে মহিলাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। পাশাপাশি একাকীত্ব ও মানসিক স্বাস্থ্যের গুরুত্ব নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠছে। প্রতিবেশীদের তৎপরতায় বড় বিপদ এড়ানো সম্ভব হয়েছে বলেই মনে করছেন সকলে।






