রুই, কাতলা, আড়, চিতল, বোয়াল, সরপুঁটি সহ একাধিক প্রজাতি করলা নদীর পরিচিত মাছ।সেইসব মাছ এদিন নদীতে ভেসে উঠতে দেখা গিয়েছে। যা দেখার পর থেকেই এসাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই মনে করছেন, এই মাছের মড়কের কারণ হয়ে থাকতে পারে অসাধু মৎস্য কারবারিরা।
আরও পড়ুন: হাওয়ার গতিতে ছুটছিল বাইক, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সজোরে ধাক্কা গার্ডরেলে! শঙ্করপুরে প্রাণ গেল তরতাজা যুবকের
advertisement
জলপাইগুড়ি শহরের বুক চিরে বয়ে তিস্তা নদীতে গিয়ে মিশেছে করলা নদী। নানান প্রজাতির মাছের ভান্ডার হিসেবে পরিচিত এই নদী। ২০১১ সালে একই ঘটনা নজরে পড়েছিল করলা নদীর পাড়ের বাসিন্দাদের। তদন্তে উঠে আসে মাছ শিকারের জন্য নিষিদ্ধ কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়েছিল করলায়। তাতে মারাত্মকভাবে মৎস্য ভান্ডার ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
নদী থেকে ধরা মাছ খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন বহু মানুষ। ১৫ বছর পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তির আশঙ্কা করছেন জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দারা। করলা নদী থেকে ধরে নিয়ে যাওয়া মাছ না খাওয়ার জন্য প্রচার কর্মসূচি শুরু করার পাশাপাশি মৎস্য দফতরকে সঙ্গে নিয়ে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জলপাইগুড়ি পুরসভা।
