বনদফতর সূত্রে জানা যাচ্ছে, প্রতি মাসে গড়ে প্রায় ২৪০০ পর্যটক গরুমারায় পা রাখছেন। মূলত জিপসি সাফারি ও হাতি সাফারির রোমাঞ্চই পর্যটকদের টানছে বলে জানিয়েছেন গরুমারা বন্যপ্রাণ বিভাগের ডিএফও দ্বিজপ্রতিম সেন। তাঁর কথায়, “প্রকৃতির খুব কাছ থেকে বন্যপ্রাণী দেখার অভিজ্ঞতা পেতে গরুমারার আলাদা জনপ্রিয়তা রয়েছে।” পরিসংখ্যান বলছে, গত বছরের তুলনায় চলতি মরশুমে প্রতি মাসে প্রায় ৩০০ জন বেশি পর্যটক আসছেন গরুমারায়।
advertisement
আরও পড়ুন: দার্জিলিং থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখার সেরা চার ভিউ পয়েন্ট, শেষেরটা বয়স থাকতে অবশ্যই একবার ঘুরে আসুন
বিশেষ করে শীতের মরশুমে এই সংখ্যা আরও বাড়ছে। শুধু দেশীয় পর্যটক নয়, বিদেশি পর্যটকদের উপস্থিতিও সন্তোষজনক বলে জানিয়েছে বনদফতর। ঘন শাল-শিমুলের জঙ্গল, খোলা ঘাসজমিতে একশৃঙ্গ গণ্ডারের বিচরণ, হরিণ, ময়ূর কিংবা নানা পাখির দেখা, সবমিলিয়ে ডুয়ার্স গরুমারা যেন প্রকৃতিপ্রেমীদের স্বপ্নের ঠিকানা। শহরের কোলাহল থেকে দূরে কিছুটা সময় প্রকৃতির মাঝে কাটাতে চাইছেন, এমন পর্যটকদের কাছে গরুমারা আবারও হয়ে উঠেছে প্রথম পছন্দ।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
বন ও বন্যপ্রাণ সংরক্ষণের দিকেও সমান গুরুত্ব দিচ্ছে বনদফতর। পর্যটকদের নিরাপত্তা, সাফারির সময়সীমা নিয়ন্ত্রণ এবং পরিবেশ রক্ষায় কড়া নজরদারি চালানো হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। পর্যটনের এই বাড়বাড়ন্তে খুশি স্থানীয় পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত মানুষজনও। সব মিলিয়ে চলতি মরশুমে ডুয়ার্সের পর্যটন অর্থনীতিতে নতুন করে আশার আলো দেখছে ডুয়ার্স।





