স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহরের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় দীর্ঘদিন ধরে পাইপলাইন বসানোর কাজ চলছে। কাজ শেষ হলেও রাস্তার সঠিক সংস্কার না হওয়ায় এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে থানা মোড়, কদমতলা এবং ডিবিসি রোড সংলগ্ন এলাকায় ধুলোর প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। ব্যস্ত এই এলাকাগুলো দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ যাতায়াত করেন, ফলে সমস্যা আরও তীব্র আকার নিচ্ছে। ধুলোর কারণে সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন শিশু ও বয়স্করা। শ্বাসকষ্ট, চোখ জ্বালা, কাশি—এই সব উপসর্গে ভুগছেন অনেকেই। স্কুলপড়ুয়া শিশুদের মধ্যে অসুস্থতার আশঙ্কা বাড়ছে বলে জানাচ্ছেন অভিভাবকেরা।
advertisement
আরও পড়ুন: লড়াইয়ের আরেক নাম রায়বেঁশে! আজও অভাবের সংসারে পুরনো লোকসংস্কৃতিই অন্ন জোগায় মুর্শিদাবাদে
এক স্থানীয় বাসিন্দার কথায়, “ঘরের জানালা খুলে রাখা যাচ্ছে না। একটু হাওয়া এলেই ঘর ভরে যাচ্ছে ধুলোয়। এমন অবস্থায় কীভাবে স্বাভাবিক জীবনযাপন করব?” অন্যদিকে, পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুলেছে পুরসভা। জলপাইগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান সৈকত চ্যাটার্জী জানান, ধুলো নিয়ন্ত্রণে আনতে রাস্তায় নিয়মিত জল ছিটানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। পাশাপাশি পাইপলাইন বসানোর পর যেসব রাস্তা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেগুলোর সংস্কার দ্রুত শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তবে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে ,এই উদ্যোগ কতটা দ্রুত বাস্তবায়িত হবে? কারণ প্রতিদিন ধুলোর সঙ্গে লড়াই করেই শহরের মানুষকে বাঁচতে হচ্ছে। জলপাইগুড়িবাসীর একটাই আশা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিয়ে শহরকে আবার শ্বাস নেওয়ার সুযোগ করে দিক প্রশাসন।





