মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, ইজরায়েল ও আমেরিকাকে ঘিরে যুদ্ধ পরিস্থিতির খবর সামনে আসতেই জলপাইগুড়ি জেলায় পেট্রল ও ডিজেলের চাহিদা কিছুটা বেড়েছে। তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যেতে পারে—এই আশঙ্কায় আগেভাগেই গাড়ির ট্যাঙ্ক ভরিয়ে রাখছেন বহু মানুষ। জলপাইগুড়ি শহর ও শহরতলির বিভিন্ন পেট্রল পাম্পে দেখা যাচ্ছে সাধারণ দিনের তুলনায় কিছুটা বেশি ভিড়। অনেকেই জানাচ্ছেন, আগে যেখানে ১০০ থেকে ১৫০ টাকার পেট্রল ভরতেন, এখন সেখানে একসঙ্গে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকার তেল ভরাচ্ছেন। মূলত ভবিষ্যতে দাম বাড়ার সম্ভাবনার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন বলে জানান গাড়িচালকেরা।
advertisement
এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, “খবরে দেখছি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। যদি তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে যায়, তাই আগে থেকেই একটু বেশি তেল ভরে রাখছি।” পেট্রল পাম্প কর্মীরাও জানাচ্ছেন, গত কয়েকদিনে তেল বিক্রির পরিমাণ আগের তুলনায় কিছুটা বেড়েছে। তাঁদের কথায়, “মানুষের মধ্যে একটা ভয় কাজ করছে। অনেকেই আগের তুলনায় বেশি পরিমাণে পেট্রোল ও ডিজেল নিচ্ছেন।”
সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে বলা হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের সংঘাত তৈরি হলে সমুদ্রপথে তেল আমদানির উপর প্রভাব পড়তে পারে। সেই আশঙ্কাই সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। তবে তেলের দাম নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকার বা তেল সংস্থাগুলির পক্ষ থেকে কোনও নতুন ঘোষণা করা হয়নি। তবুও সম্ভাব্য মূল্যবৃদ্ধির আশঙ্কায় জলপাইগুড়ির বহু গাড়িচালক এখন থেকেই সতর্ক হয়ে আগেভাগে তেল ভরিয়ে রাখছেন।





