বৃহস্পতিবার রাতে ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয় জলপাইগুড়িতে। রাত সাড়ে বারোটা নাগাদ বাচ্চাদের নিয়ে বাড়িতে একাই ছিলেন দক্ষিণ বামনপাড়ার বাসিন্দা পপি রায় সরকার। সেই সময় সশস্ত্র অবস্থায় দুই দুষ্কৃতী ঘরে ঢুকে পড়ে। ততক্ষণে স্বামীকে ফোন করে দেওয়ায় বাড়িতে ছুটে আসেন স্বামী দীপঙ্কর রায়। তাঁকে দেখে ধারালো অস্ত্র ফেলে দুষ্কৃতীরা পালিয়ে যায়।
আরও পড়ুন: যুদ্ধের আঁচ খাদ্যগলিতে, ডেকার্স লেনে কমছে মেনু-বাড়ছে দাম! বিরাট সংকটে দোকানমালিকরা
advertisement
তবে যাওয়ার আগে ভয় দেখায় ও মারধর করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়েছে গোটা এলাকায়। ডাকাতির উদ্দেশ্যে এই ঘটনা বলে মনে করছেন বাসিন্দারা। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার পুলিশ।
কয়েকদিন আগে ছিনতাইয়ের অভিযোগে ধৃত জুভেনাইল হোমে নাবালকের আত্মহত্যার চেষ্টা ও পরে হাসপাতালে মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায়। পুলিশ, নিরাপত্তারক্ষীরা কী করছিল? সেই প্রশ্নও উঠেছে। প্রশাসনের তরফে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। উপযুক্ত তদন্তের দাবি তুলেছে মৃতের পরিবার।
জলপাইগুড়ি শহরে কোরক নামে একটি জুভেনাইল হোম রয়েছে। সেখানেই ঘটেছে ওই চাঞ্চল্যকর ঘটনা। মৃতের নাম আরিয়ান রাউত। ছিনতাইয়ের অভিযোগ শুক্রবার রাতে আরিয়ান-সহ দু’জনকে আটক করেছিল কোতোয়ালি থানার পুলিশ। একজনকে পরে থানা থেকেই ছেড়ে দেওয়া হয়। কিন্তু বছর ১৩ বয়সের আরিয়ানকে হোমে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছিল।
শান্তনু কর
