এই প্রসঙ্গে, তিনি বুধবার রাজগঞ্জের এক সভা থেকে কমিশনকে নিশানা করে বলেন, “স্বপ্না বর্মণ যাতে নির্বাচনে মনোনয়ন জমা করতে না পারে তার ব্যবস্থা করেছিল। তৃণমূল কংগ্রেসকে কোর্টে যেতে হয়েছে । পিতৃহারা একজনকে কোর্টে টেনে গিয়েছে। যে ভালোবাসা তৃণমূলকে জিতিয়ে প্রমাণ করবেন সুদ সমেত উন্নয়নের মাধ্যমে ফিরিয়ে দেব।”
এরপরেই তিনি দাবি করেন, স্বপ্না বর্মন ৪০ হাজার ভোটের ব্যবধানে জিতবে। খগেশ্বর রায়ের অসম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করবে স্বপ্না। অভিভাবকের মত থাকবে খগেশ্বর রায়।
advertisement
এরপরেই তিনি জানান, নির্বাচন শেষ হলে ৬ মাসের মধ্যে জায়গা চিহ্নিত করে ফায়ার ব্রিগেডের কাজ শুরু হবে।
একইসঙ্গে, রাজগঞ্জ বিধানসভায় কলকাতা হাইকোর্টের সার্কিট বেঞ্চ উদ্বোধন সবথেকে বড় সাফল্য বলেও দাবি করেন তিনি।
এরপরেই বিজেপিকে নিশানা করেন অভিষেক। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাজগঞ্জে বহিরাগতদের প্রার্থী করেছে বিজেপি।”
একইসঙ্গে তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে এসআইআর ইস্যুও। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “SIR যত নাম কাটুক সমুদ্র থেকে চার বালতি জল তুলে নিলে সমুদ্রের জল কমে যায় না।
নির্বাচন শেষ হলে কৃষকদের জন্য হিমঘর করে দেওয়া হবে বলেও জানান।
তিনি ফের আসবে বলেও জানান তিনি। এই প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “২১ জুলাইয়ের আগে আবার আসার চেষ্টা করব রাজগঞ্জে।যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে গেলাম স্বপ্না জেতার পরেই কাজ শুরু হবে।”
