বড় জলাশয়ের প্রয়োজন ছাড়াই ড্রামের মধ্যে পদ্ম চাষ করে তাঁরা যেমন পরিবেশবান্ধব বার্তা দিয়েছেন, তেমনই নতুন ধরনের কৃষি-চিন্তার দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। কলেজের প্রথম বর্ষের ছাত্রী কাজল সেন ও সহেলী ধীবর জানান, ইতিমধ্যেই গাছ থেকে দুই থেকে তিনবার পদ্মফুল ফুটেছে। তাঁদের কথায়, “প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকে কলেজ চত্বরে তুলে ধরতেই আমাদের এই উদ্যোগ। সাধারণত জলাশয় বা পুকুরেই পদ্মফুলের চাষ দেখা যায়। কিন্তু নিজেদের হাতে কলেজে ড্রামের মধ্যে পদ্মফুল ফুটতে দেখা, এ এক অসাধারণ অনুভূতি।”
advertisement
এই উদ্যোগ কেবল নান্দনিকতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এর রয়েছে গভীর শিক্ষামূলক গুরুত্বও। হাতে-কলমে চাষের কৌশল রপ্ত করার পাশাপাশি ছাত্রীরা স্বনির্ভরতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। তাদের এই প্রচেষ্টা প্রমাণ করে, সৃজনশীল চিন্তা ও পরিবেশ সচেতনতা একসঙ্গে মিললে শিক্ষাঙ্গনও হয়ে উঠতে পারে সবুজ উদ্ভাবনের ক্ষেত্র। পাশাপাশি, এই উদ্যোগ পরিবেশ সচেতনতার এক উজ্জ্বল বার্তাও বহন করে।
আরও পড়ুন: আধার কার্ডই সব! রেলের টিকিট জালিয়াতি রুখতে একাধিক ব্যবস্থা রেলের
বর্তমান সময়ে যখন পরিবেশ দূষণ ও সবুজায়নের অভাব নিয়ে বিশ্বজুড়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন শিক্ষাঙ্গন থেকেই এমন সবুজ উদ্যোগ নিঃসন্দেহে প্রশংসনীয়। প্লাস্টিকের অব্যবহৃত ড্রামকে পুনর্ব্যবহার করে তাতে পদ্মচাষ করা একদিকে যেমন পরিবেশবান্ধব চিন্তার পরিচয় দেয়, তেমনই অন্যদিকে টেকসই কৃষি-ভাবনার দিকেও ইঙ্গিত করে।





