একদিকে যেমন অন্য ট্রেনে বাড়তি চাপ বেড়েছে অন্যদিকে বিকল্প হিসেবে চলাচল করতে গিয়ে আগের থেকে বেশি ভাড়া গুনতে হচ্ছে নিম্নবিত্ত যাত্রীদের। পুনরায় ওই বন্ধ হওয়া ট্রেনগুলি চালুর দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে আসছেন নাগরিক সমাজ। তাদের অভিযোগ, বর্ধমান-রামপুরহাট ত্রি-সপ্তাহিক এক্সপ্রেস, রামপুরহাট বারহারোয়া লোকাল, শিয়ালদহ-রামপুরহাট ইন্টারসিটি, হাওড়া-রাজগির ফার্স্ট প্যাসেঞ্জার, শিয়ালদহ-দিল্লি দ্বি-সাপ্তাহিক এক্সপ্রেস, আসানসোল-মালদহ দ্বিসাপ্তাহিক এক্সপ্রেস ও বর্ধমান মালদহ টাউন প্যাসেঞ্জার, ডিব্ৰুগড়-ঝাঝা এক্সপ্রেস, বীরভূমের পাশাপাশি লাগোয়া মুর্শিদাবাদ ও ঝাড়খণ্ডের শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী, হকার-সহ হাজার হাজার যাত্রী তাঁদের দৈনন্দিন কাজের জন্য যাতায়াত করতেন। অন্য ট্রেনের তুলনায় সেই সব ট্রেনের ভাড়াও কম ছিল। কিন্তু করোনা কালে লকডাউনের সময় জনপ্রিয় ও সাধারণ মানুষের উপযোগী এই ট্রেনগুলি তুলে নেওয়া হলেও আজ চালু করা যায়নি।
advertisement
আরও পড়ুন: মেলা শুরুর প্রথম সপ্তাহেই ধামাকা বীরভূমে! বিক্রিবাটা ১ কোটি টাকা, কামাল করছে গরদ, কেটিয়া, মসলিন…!
শনিবার উত্তরবঙ্গ থেকে একাধিক বন্দে ও অমৃত ভারত ট্রেন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, যার মধ্যে রামপুরহাট ও বোলপুরে স্টপেজ রয়েছে বেশ কয়েকটি ট্রেন। যেমন এসভিটি বেঙ্গালুরু-রাধিকারপুর, তিরুচ্চিরাপল্লি-নিউ জলপাইগুড়ি, এসভিটি বেঙ্গালুরু-বালুরঘাট, এসভিটি বেঙ্গালুরু- আলিপুরদুয়ার, নাগেরকোল-নিউ জলপাইগুড়ি। এগুলির ভাড়া মধ্যবিত্ত রেল যাত্রীদের হাতের বাইরে। মুরারই রেল যাত্রী সংঘের পক্ষে জগন্নাথ দত্ত বলেন, যতক্ষণ না করোনা কাল থেকে বন্ধ রাখা ট্রেনগুলি চালু হচ্ছে, ততদিন প্রান্তিক যাত্রীদের অসুবিধার মধ্যে চলতে হবে। বন্দে ও অমৃত ভারতের ট্রেনে মোটা ভাড়া গুনে সফর করার আর্থিক সার্মথ্য সবার নেই।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
রামপুরহাট থেকে গুমানি পর্যন্ত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা ভীষণ খারাপ। যে এক্সপ্রেসগুলি চলছে তাতে সাধারণ কামরার সংখ্যাও কম। মানুষ চাপতে পারেন না। ফলে কর্মক্ষেত্রে পৌঁছতে দেরি হয় রেলযাত্রীদের। অথচ স্লিপারে এসি কোচ প্রচুর থাকছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে সংরক্ষিত ব্যবস্থার মাধ্যমে যাতায়াত করতে হচ্ছে। অন্যদিকে, রামপুরহাটের নিত্যযাত্রীরা জানাচ্ছেন করোনাকালে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বহু ট্রেন। জনপ্রিয় একাধিক ট্রেন আজও চালু হয়নি। অথচ একটা সেকশন থেকে বলা হচ্ছে, এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ল। কিন্তু তারা একবারও ভেবে দেখছেন না, বন্দে ও অমৃত ভারতে যা ভাড়া তাতে সবাই সফর করতে পারবেন না। পূর্ব রেলের সিপিআরও শিবরাম মাজি বলেন, বেশকিছু ট্রেনের উদ্বোধন হয়েছে। ডিভিশনাল কমিটির মিটিংয়ে অন্যান্য বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়, বিষয়টি রেল দেখছে।






