এই ডেডিকেটেড মেইনলাইন ইলেকট্রিক মাল্টিপল ইউনিট (MEMU) পরিষেবা চালুর ফলে হাজার হাজার শ্রমিক, শিক্ষার্থী এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের যাতায়াতের কষ্টের অবসান ঘটল। এর আগে তারা ব্যয়বহুল বাস এবং অনিয়মিত এক্সপ্রেস ট্রেনের উপরে নির্ভরশীল ছিলেন।
শিল্পের জন্য এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ –
এই নতুন পরিষেবাটি পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া এবং বোকারোর মধ্যে একটি উচ্চগতির ও সাশ্রয়ী “স্টিল করিডোর” তৈরি করেছে। আজকের উদ্বোধনের মূল দিকগুলি হলো:
advertisement
• শ্রমশক্তির ক্ষমতায়ন: উভয় শহরের ‘সেল’ (SAIL) প্রতিষ্ঠানের কারিগরি কর্মী ও শ্রমিকদের জন্য এখন যাতায়াতের একটি সরাসরি ও নির্ভরযোগ্য মাধ্যম তৈরি হয়েছে।
• গ্রামীণ অর্থনীতির অগ্রগতি: দূরপাল্লার ট্রেনের মতো নয়, এই মেমু ট্রেনটি ছোট ছোট ইন্টারমিডিয়েট হল্ট স্টেশনগুলিতেও থামবে। এর ফলে পুরুলিয়া এবং আশেপাশের গ্রামীণ মানুষ উভয় ইস্পাত নগরীর বিশাল শহুরে বাজারে পণ্য বিক্রির সুযোগ পাবেন।
• বাধাহীন শিক্ষা: শত শত ছাত্রছাত্রী এখন প্রতিদিন আন্তঃরাজ্য সীমানা পেরিয়ে নামী কোচিং সেন্টার এবং কলেজগুলিতে যাতায়াত করতে পারবে। এর ফলে হোস্টেল বা ভাড়াবাড়িতে থাকার অতিরিক্ত খরচের আর প্রয়োজন হবে না।
• সাশ্রয়ী যাতায়াত: স্বল্পমূল্যের মাসিক সিজন টিকিট চালুর মাধ্যমে এই পরিষেবাটি দৈনিক উপার্জনকারীদের জন্য দীর্ঘ দূরত্বের যাতায়াতকে লাভজনক করে তুলেছে।
ভ্রমণের মানে এক বৈপ্লবিক উন্নতি –
পুরানো যাতায়াত ব্যবস্থার বদলে এই মেমু পরিষেবা আঞ্চলিক গতিশীলতাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে চলেছে। আগে যাত্রীদের একাধিক বাস বদলানো এবং চড়া পরিবহন খরচের বোঝা বইতে হতো; এখন কম খরচে মাসিক সিজন টিকিটের মাধ্যমে যাতায়াত অত্যন্ত সাশ্রয়ী হয়ে উঠবে। নির্ভরযোগ্যতার ক্ষেত্রে, এই ব্যবস্থাটি হাইওয়ে ট্রাফিক এবং বর্ষাকালীন ধসের সমস্যা থেকে সরে এসে একটি উচ্চগতির, সর্বকালীন বৈদ্যুতিক রেল করিডোরে রূপান্তরিত হবে, যা ঋতু নির্বিশেষে সঠিক সময়ানুবর্তিতা নিশ্চিত করবে।
