পূর্ব রেলের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী মিলিন্দ দেউস্করের দূরদর্শী নেতৃত্বে, স্ক্র্যাপ থেকে রাজস্ব আদায়ের ক্ষেত্রে ভারতের সমস্ত রেলওয়ে জোনের মধ্যে শীর্ষ তিন-এ স্থান করে নিয়েছে এই জোন। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসেই ৭০.২২ কোটি টাকার বেশি আয় করে দেশের মাত্র দু’টি জোনের মধ্যে পূর্ব রেল অন্যতম। এছাড়াও, ৪৭ কোটি টাকা মূল্যের ৩৭৬টি আইসিএফ/ইএমইউ/মেমু (ICF/EMU/MEMU) কোচ বাতিল ও নিষ্পত্তি করে পূর্ব রেল দেশজুড়ে নেতৃত্ব দিচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে, পানাগড়ে কয়েক দশকের পুরনো ১৭ কিলোমিটার পরিত্যক্ত সাইডিং থেকেও ভাড়া-বহির্ভূত রাজস্ব (non-fare revenue) উপলব্ধ করেছে পূর্ব রেল।
advertisement
আরও পড়ুনঃ বড়মা বীণাপানী দেবীর তিরোধান দিবসে শ্রদ্ধা মুখ্যমন্ত্রীর, নাগরিকত্ব ইস্যুতে কেন্দ্রকে কটাক্ষ মমতার
পরিত্যক্ত সামগ্রী নিষ্পত্তির উল্লেখযোগ্য সাফল্য:
• বাতিল রেল ও পার্মানেন্ট ওয়ে আইটেম: ৩৩,৯৮৬ মেট্রিক টন
• বাতিল পিএসসি স্লিপার: ৩৮১,৩৭৫টি
• বাতিল লৌহঘটিত স্ক্র্যাপ: ৫৮,৯১০ মেট্রিক টন
• বাতিল অলৌহঘটিত স্ক্র্যাপ: ৩,৮৫৮ মেট্রিক টন
• বাতিল রোলিং স্টক: ১৫টি বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ, ১৭টি ডিজেল লোকোমোটিভ, ৩৭৬টি কোচ, ৮৭৪টি ওয়াগন
প্রিন্সিপাল চিফ মেটেরিয়ালস ম্যানেজার শ্রী সন্দীপ শুক্লার নেতৃত্বে জিপিএস-ভিত্তিক পুঙ্খানুপুঙ্খ ম্যাপিং, কঠোর নজরদারি এবং স্বচ্ছ ই-অকশনের মাধ্যমে এই পরিত্যক্ত সামগ্রীকে বিশাল অংকের রাজস্বে পরিণত করা হয়েছে।
পূর্ব রেলের চিফ পাবলিক রিলেশনস অফিসার শ্রী শিবরাম মাঝি জানান, “দক্ষ স্ক্র্যাপ নিষ্পত্তি কেবল যাত্রী অভিজ্ঞতাকেই উন্নত করে না এবং কর্মীদের জন্য একটি পরিচ্ছন্ন ও স্বাস্থ্যকর কাজের পরিবেশ প্রদান করে উপরন্তু উল্লেখযোগ্য রাজস্বও তৈরি করে। তাই এটি পূর্ব রেলের অন্যতম প্রধান অগ্রাধিকার ক্ষেত্র। এই রেকর্ড সৃষ্টিকারী ফলাফল একটি স্ক্র্যাপ-মুক্ত ভবিষ্যৎ গড়ার লক্ষ্যে পূর্ব রেলের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টাকেই প্রতিফলিত করে, যেখানে কার্যক্ষমতার উৎকর্ষ এবং পরিবেশগত দায়বদ্ধতার মেলবন্ধন ঘটেছে।”
দ্রুত ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরিবেশবান্ধব বর্জ্য নিষ্পত্তিতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে পূর্ব রেল আর্থিক বিচক্ষণতা এবং স্থায়িত্বের ক্ষেত্রে একটি জাতীয় মানদণ্ড স্থাপন করেছে।
