জানা গিয়েছে, মহম্মদ সেলিম এবং হুমায়ুন কবীরের মধ্যে বিধানসভা ভোটে জোট এবং আসন সমঝোতা নিয়ে কথা হয়েছে। আর বৈঠকে মহম্মদ সেলিম হুমায়ুনকে জানিয়েছেন যে এই বিষয়ে দলে আগে কথা হবে। তারপরই জোট বা আসন সমঝোতা নিয়ে এগোনো সম্ভব হবে বামেদের তরফে।
সূত্রের খবর, রাজারহাট নিউটাউনের একটি হোটেলে এই বৈঠক হয়। রাজ্য রাজনীতির এই দুই নেতার মধ্যে অনেকক্ষণ ধরে আলোচনা চলে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে। এই বৈঠকের পর সেলিম জানান, হুমায়ুনের রাজনৈতিক অভিপ্রায় জানতেই এই আলোচনা। পাশাপাশি জোট নিয়ে এখনও কোনও কথা হয়নি, সেটা অবশ্য স্পষ্ট করে দেন সেলিম। তিনি বলেন, ‘আমি জানতে চেয়েছি উনি কী করতে চান, তাঁর উদ্দেশ্য কী।’
advertisement
যদিও সেলিমের শুধু মুখের কথায় আর চিড়ে ভিজছে না। এই দুজনের বৈঠকের পরই বাংলার রাজনীতিতে জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের বড় অংশই মনে করছে, এই জোট সিপিআইএম-এর কর্মী সমর্থকরাই আদৌ মেনে নেবে না। কারণ, নওশাদ সিদ্দিকীর আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটের পরও দলের মধ্যে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। কীভাবে একটি বামপন্থী দল আইএসএফ-এর সঙ্গে জোটে যেতে পারে, তা নিয়ে তোপের মুখে পড়েছিল নেতৃত্ব। যদিও সেই যাত্রায় আইএসএফ-এর ‘সেক্যুলার’ নীতিকে সামনে রেখে কিছুটা মুখ রক্ষা করা গিয়েছিল। কিন্তু এবার বাংলায় বাবরি মসজিদ তৈরির দাবি করে যার নতুন রাজনৈতিক দলের সূচনা, সেই হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে জোটের জন্য আলোচনাও যে বাম কর্মী-সমর্থকরা মেনে নেবেন না, তা নিয়ে নিশ্চিত অনেকেই। এই বিষয়ে মুখ খুলেছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মুখপাত্র কুণাল ঘোষও। তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিকভাবে দেউলিয়া হয়ে গিয়েছে সিপিআইএম।’ তাই ভোটের আগে ভিক্ষের পাত্র হাতে জোট ভিক্ষা করছেন সেলিমরা বলে কটাক্ষ করেন তিনি।
