কলসযাত্রা দিয়ে সূচনা, এর পর শোভাযাত্রা, তার পর মন্দির উন্মোচন এবং মূর্তি প্রতিষ্ঠা হোম যজ্ঞ পুজো পাঠের মাধ্যমে পালিত হবে বিভিন্ন আচার পর্ব। দুই গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ পঞ্চানন্দের প্রসাদ গ্রহণ করলেন। আনন্দ উৎসাহে উচ্ছ্বসিত গ্রামের প্রতিটি মানুষ। ৮০ বছর বয়সি গ্রামবাসীও ভোগ বিতরণে হাত লাগাচ্ছেন। গ্রামবাসীদের কাছে এই দিন বিশেষ মাহাত্ম্যপূর্ণ।
advertisement
আবার দুই গ্রাম মিলিত হল , বাবা পঞ্চানন্দ এবং রাধা কৃষ্ণের যুগল মূর্তি আগমন এবং প্রতিষ্ঠাকে কেন্দ্র করে। গ্রামের মানুষের উৎসাহ ছিল চোখে পড়ার মতো। ভক্তি নিষ্ঠা ভরে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে আরাধনা। এতদিন পঞ্চানন্দের শিলা পুজো হত গ্রামে। এ বার পঞ্চানন্দের বিগ্রহ প্রতিষ্ঠা কেন্দ্র করে দু’টি গ্রাম জুড়ে আলোকমালার সাজ ও উৎসবের মেজাজ।
আরও পড়ুন : চৈত্রের পুণ্যলগ্নে রীতি অনুযায়ী জল থেকে তোলা হল শিবলিঙ্গ, গাইঘাটার কয়েকশো বছরের প্রাচীন মন্দিরে ভক্তদের ঢল
পঞ্চানন্দের মূর্তি পুজোর সূচনা অন্যদিকে হরিবাসরে রাধাকৃষ্ণের যুগল মূর্তির প্রতিষ্ঠা যা গ্রামের মানুষের কাছে অতি আনন্দের। গ্রামের সমস্ত মানুষের সাধ্যমতো সহযোগিতায় গ্রামের মানুষের ইচ্ছে পূরণ হয়েছে। দীর্ঘ কয়েক বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে মন্দিরে বিরাজমান হলেন শিব পঞ্চানন্দ ও রাধা কৃষ্ণের যুগল মূর্তি।





