সাতসকালে গুলি করে খুন হাওড়ায়! ভোররাতে চায়ের দোকানে চলল পরপর গুলি। হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার পিলখানা এলাকায় চাঞ্চল্য। জানা যায়, স্থানীয় এক প্রোমোটারকে লক্ষ করে ৬ রাউন্ড গুলি চালানো হয়! গুলিতে ঝাঁঝরা হয়ে যান বছর ২৭-এর মহম্মদ সফিকুল । রক্তাক্ত অবস্থায় তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। গোটা ঘটনার ফুটেজ ধরা পড়েছে সিসি ক্যামেরায়।
advertisement
ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় ধরা পড়েছে হাওড়ার গোলাবাড়ি থানার অন্তর্গত পিলখানা সেকেন্ড বাই লেনে সফিকুলকে খুনের হাড়হিম করা দৃশ্য। ফুটেজে দেখা যায়, প্রোমোটার সফিকুল খান বুধবার সকালে বাড়ি থেকে নীচে নামতেই তাকে ঘিরে ধরে দুই দুষ্কৃতী। দুষ্কৃতীদের চিহ্নিত করা গিয়েছে। হারুন খান আর রোহিত নামে ওই দুই দুষ্কৃতীর হাতে ছিল পিস্তল। হারুনের সঙ্গে কথা কাটাকাটির সময় পিছন থেকে গুলি চালায় রোহিত। সফিকুল মাটিতে লুটিয়ে পড়তেই হারুন বন্দুক বার করে পর পর গুলি চালায়। মোট ৬ রাউন্ড গুলি চালায় বলে দাবি প্রত্যক্ষদর্শীদের। মৃতের পরিবারের দাবি, প্রোমোটিং-এ বাধা ও টাকা দাবি করেছিল হারুন। আগেও হুমকি দিয়েছিল। এর পর উত্তেজিত জনতা হারুনের বাড়িতে ভাঙচুর চালায়। ঘটনাস্থলে বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র্যাফ মতায়ন করা হয়েছে। অভিযুক্তদের খোঁজে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি চলছে।
এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে থাকা সিসিটিভি ক্যামেরাতেই ধরা পড়ে ঘটনার মুহূর্তের হাড়হিম করা ছবি। ভোররাতে গোলাবাড়ির পিলখানায় চায়ের দোকানে চড়াও হয় দুষ্কৃতীরা। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্করেঞ্জ থেকে পরপর ছয় রাউন্ড গুলি চলে। গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যু হয় প্রোমোটার মহম্মদ সফিকুলের। প্রোমোটারকে খুন করে চম্পট দেয় দুই দুষ্কৃতী হারুন-রোহিত। প্রোমোটিং বন্ধ করতে বারবার চাপ! একাধিকবার খুনের হুমকির অভিযোগ নিহতের পরিবারের। খুনে অভিযুক্ত হারুনের বাড়িতে ভাঙচুর ক্ষিপ্ত জনতার। অভিযুক্তদের খোঁজে তল্লাশি পুলিশের।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার ভোর ৪টে ১০ নাগাদ, ২ আততায়ী হেঁটে এসে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে ৬ রাউন্ড গুলি চালায়। সফিকুলের মাথা ও বুক ফুঁড়ে বেরিয়ে যায় বুলেট। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, পুরনো শত্রুতার জেরেই ওই শ্যুটআউট। সাতসকালে এহেন ভয়াবহ ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে গোটা এলাকায়। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে হাওড়া সিটি পুলিশ।