শিক্ষা, শৃঙ্খলা ও মানবিকতার চর্চার মাধ্যমেই একটি সুস্থ সমাজ গড়ে ওঠে। আজকের যুবসমাজ যদি স্বাধীনতা সংগ্রামীদের আত্মত্যাগের কথা জানতে পারে, তাহলে তারা দেশের জন্য কাজ করতে আরও বেশি অনুপ্রাণিত হবে বলে জানান তাঁরা। তাঁদের বক্তব্যে উঠে আসে, দেশপ্রেম কেবল অনুষ্ঠান বা দিবস পালনেই সীমাবদ্ধ থাকা উচিত নয়। দৈনন্দিন জীবনযাপনে দায়িত্বশীল আচরণ, সামাজিক ঐক্য ও পারস্পরিক সহযোগিতাই দেশভক্তির প্রকৃত রূপ। দেশকে ভালবাসা মানে শুধু স্লোগান নয়, নিজের দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করাই আসল দেশভক্তি।
advertisement
স্বাধীনতা সংগ্রামী পরিবারের সদস্যদের মতে, ইতিহাসচর্চা ও সমাজ সচেতনতা বাড়লে আগামী দিনে দেশ আরও শক্তিশালী হবে। এ প্রসঙ্গে বাঘাযতীন মুখোপাধ্যায়ের নাতি ইন্দ্রজ্যোতি মুখোপাধ্যায় জানান, পৃথিবীর জুড়ে পরিবেশ দূষণ মাত্রা অতিরিক্ত। সেই দিক থেকে পরিবেশ রক্ষা পরিবেশ সচেতনতার প্রয়োজন রয়েছে। তবে তার থেকেও বেশি মানসিক চেতনা বিকাশের অভাব রয়েছে। শহিদ মাস্টারদা সূর্যসেনের নাতনি মিতা মিত্র জানান, বর্তমানে যারা সমাজ শাসন করছেন, দেশ শাসন করছে, এবং রাজ্য শাসন করছেন, সেই সমস্ত স্তরের নেতা তথা সমাজ সেবকদের উচিত, মানুষের মধ্যে আন্তরিকভাবে মিশে যাওয়া।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
তাঁর মতে, সেইসঙ্গে সরলতা এবং আন্তরিকতা প্রয়োজন। সেই ক্ষমতা ছিল মাস্টারদা সূর্যসেন, বাঘাযতীন মুখোপাধ্যায়দের মত মানুষদের। স্বাধীনতা সংগ্রামী পরিবার সদস্য ফাল্গুনী ঘোষাল ও প্রবীর গিরি জানান, যাদের জন্য দেশের স্বাধীনতা, তাঁদের বর্তমান প্রজন্ম ভুলে যাচ্ছে। দেশ ও দশের উন্নতির জন্য নতুন প্রজন্মকে জানতে হবে সেই সব মানুষের কাহিনী। তাই পাঠ্য বইয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামী দেশপ্রেমীদের জীবনী বাধ্যতামূলক করার দাবি জানান তাঁরা।





