অটোচালকদের অভিযোগ, ভোর থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেক সময় গ্যাস পাওয়া অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। অন্যদিকে গ্যাস স্টেশনে আগে যে গ্যাস ৪-৫ দিন পর্যন্ত চলত, এখন তা ১০-১২ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। গ্যাসের সংকট দেখা দিতে রোজগার বন্ধ হওয়ার আশঙ্কায় চরম দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন তাঁরা।
আরও পড়ুন: দক্ষিণ ২৪ পরগনায় স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা ছাড়াল ৯০০! শীর্ষে এই দুই এলাকা
advertisement
অভিযোগ, যে গ্যাস সাধারণত পাঁচ দিন পর্যন্ত চলার কথা, তা এখন এক বেলা থেকে সর্বোচ্চ ১২ ঘণ্টার মধ্যেই শেষ হয়ে যাচ্ছে। ফলে প্রতিদিনই নতুন করে গ্যাসের খোঁজে স্টেশন থেকে স্টেশনে ছুটতে হচ্ছে চালকদের। অন্যদিকে, স্টেশন মালিকরাও সমস্যার কথা স্বীকার করছেন। তাঁদের দাবি, গ্যাসের চাহিদা হঠাৎ করেই অনেক বেড়ে গেছে, কিন্তু সেই তুলনায় সরবরাহ অত্যন্ত কম। এর ফলে গ্যাস এলেই স্টেশনগুলিতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে ভিড় তৈরি হচ্ছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশি নজরদারি অত্যন্ত জরুরি বলেই মনে করছেন তাঁরা।
আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন
দিন যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে গ্যাসের চাহিদা। এই পরিস্থিতিতে স্টেশনগুলিতে তৈরি হচ্ছে চরম বিশৃঙ্খলা। গ্যাস সরবরাহ অনিয়মিত হওয়ায় ভিড় নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ছে বলে জানাচ্ছেন স্টেশন কর্তৃপক্ষ। সবমিলিয়ে, বর্তমান পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘যুদ্ধকালীন অবস্থা’ বলেই ব্যাখ্যা করছেন। দ্রুত গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে, হাওড়ার অটো পরিষেবা আরও বড় সঙ্কটে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।





