স্কুলের সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ঘটনার সময় স্কুলের মেন গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল তিন ছাত্র। সেই সময় স্লাইডিং গেটটি বন্ধ করার চেষ্টা হচ্ছিল। তখনই আচমকা গেটের একটি পাল্লা-কবজা থেকে খুলে সরাসরি ছাত্রদের ওপর আছড়ে পড়ে। গেটের ভার সইতে না পেরে মুখ থুবড়ে মাটিতে পড়ে যায় খুদে পড়ুয়ারা।
ঘটনাটি ঘটা মাত্রই উপস্থিত অভিভাবকরা চিৎকার করে ওঠেন এবং তড়িঘড়ি ভারি গেটটি তুলে ছাত্রদের উদ্ধার করেন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাদের দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
advertisement
“আপনার শহরের হাসপাতাল এবং চিকিৎসকদের নামের তালিকা পেতে এখানে Click করুন”
আহত পঞ্চম শ্রেণীর ছাত্র নীলাদ্রি ওঁরাও এর বাবা সঞ্জু ওঁরাও বলেন, “আমি অফিস যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছিলাম। তখনই এক অভিভাবক ফোন করে দুঃসংবাদটি দেন। শুনি স্কুলের গেট ছেলের গায়ের ওপর পড়ে গিয়েছে। খবর পেয়েই আমি স্কুলে ছুটে আসি।” স্কুলের পরিকাঠামো এবং রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেক অভিভাবক।
ঘটনার কারণ নিয়ে ভিন্ন মত পোষণ করেছেন স্কুলের প্রধান শিক্ষক চন্দন সাহা। তিনি জানান, “বারবার নিষেধ করা সত্ত্বেও ছাত্ররা গেটে চড়ে খেলাধুলা করে। আজও তারা ঝোলাঝুলি করছিল বলে শুনেছি, তখনই পাল্লাটি খুলে পড়ে। তবে ছাত্ররা খুব গুরুতর আহত হয়নি, প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”
যদিও প্রকাশ্যে আসা সিসিটিভি ফুটেজের সঙ্গে প্রধান শিক্ষকের এই ‘ঝোলাঝুলি’ করার দাবির কিছুটা অমিল পাওয়া গিয়েছে। ফুটেজে ছাত্রদের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গিয়েছে। গেটটি পুরনো হওয়ায় বা রক্ষণাবেক্ষণের অভাবেই এই বিপত্তি কি না, তা খতিয়ে দেখছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সুদীপ্ত গড়াই






