এখানেই থেমে না থেকে তিনি রচনাকে ‘মিথ্যুক’ বলেও কটাক্ষ করেন। চুঁচুড়ায় দলীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জন্যও রচনাকেই দায়ী করেন বিদায়ী বিধায়ক। তাঁর কথায়, “২০২১ এর আগে এখানে কোনও গোষ্ঠী ছিল না। রচনা আসার পরই দল উপদলে ভাগ হয়ে গিয়েছে।” পাশাপাশি অভিযোগ তোলেন, বিভিন্ন প্রতিশ্রুতি দিয়ে দলের ভিতরে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছেন রচনা। সবচেয়ে নাটকীয়ভাবে, রচনাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেন অসিত।
advertisement
আরও পড়ুন: জল্পনায় সিলমোহর! বিজেপিতে যোগ দিলেন কামদুনি আন্দোলনের মুখ টুম্পা কয়াল
তিনি বলেন,”আমি রাস্তায় হাঁটব, রচনাও হাঁটবে। রচনার পেছনে ক‘টা লোক হাঁটে আমার পেছনে ক‘টা লোক হাঁটে দেখে নেবেন। মিছিল করছে তো আজকে ওর মিছিলে লোক দেখুন। আবার আমি মিছিল করবো। আপনারা আগেও দেখেছেন, আবার দেখিয়ে দেব।” রচনার জনপ্রিয়তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। দাবি করেন, “যেখানে রচনা যাবে, সেখানে দল হারবে। ওর গুডউইল নেই।”
এছাড়া দুর্নীতির অভিযোগও তোলেন তিনি। বলেন, স্কুলে স্মার্ট ক্লাসরুম তৈরির নামে কাটমানি খাওয়া হয়েছে এবং নির্দিষ্ট কিছু ফান্ডের কাজ নিয়ম মেনে হয়নি। দলের অভ্যন্তরীণ পরিস্থিতি নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অসিত। তাঁর অভিযোগ, “৭৪ জন বিধায়ক যারা টিকিট পাননি, তাঁদের অপমান করা হয়েছে।” এমনকি নিজের ডাকা মিছিলে তাঁকে আমন্ত্রণ না জানানোর ঘটনাতেও অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। দলীয় সংস্কৃতি নিয়েও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি অসিত।
তাঁর মন্তব্য, “আমরা লড়াই করে দল করেছি। এখন পাউডার মেখে রাজনীতি করা লোকেদের দিদির কাছে বেশি গ্রহণযোগ্যতা।” সব মিলিয়ে, এই সাংবাদিক বৈঠক তৃণমূলের অন্দরের চাপা ক্ষোভকে প্রকাশ্যে এনে দিল। নির্বাচনের আগে এই বিস্ফোরক মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে নতুন করে জল্পনা বাড়িয়েছে।
