চন্দননগর জ্যোতির মোড়ে তৃণমূল প্রার্থী ইন্দ্রনীল সেন সভা করেন। সেখানেই তিনি বলেন, ”কত বছর তৃণমূলের হয়ে কাজ করেছেন, বিজেপি প্রার্থী হতে গেলে সেটাই তার যোগ্যতামান। কেউ পাঁচ বছর, কেউ তিন বছর, কেউ দু’বছর। উত্তরবঙ্গের নিশীথ প্রামাণিক থেকে অর্জুন সিং, শুভেন্দু অধিকারী সবার বায়োডাটা দেখুন। তৃণমূল করেছে যারাই, তারাই বিজেপির প্রার্থী। সুতরাং তৃণমূল কংগ্রেসের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতের ছোঁয়া সব দলেই রয়েছে। উনি নির্ধারণ করেন, কে প্রার্থী হবেন। কে মুখ্যমন্ত্রী হবেন।”
advertisement
এরপরই ইন্দ্রনীলের সংযোজন, ”নরেন্দ্র মোদি আর মমতা দুজনেই লাইনে বিশ্বাস করেন। মোদির লাইনে আধার গ্যাস লিঙ্ক করতে হয়, তার পর এসআইআর-এও লাইন দিতে হবে। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাইনের মধ্যে দিয়ে যুবসাথী, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার পায়, মানবিক ভাতা পায়। মমতার লাইনে একশো প্রকল্প পায় আর মোদির লাইনে মানুষ হয়রান হয়।”
চন্দননগরবাসীর উদ্দেশ্যে ইন্দ্রনীল বলেন, ”আমার এখানে ২ লাখ ২০ হাজার ভোটারের জন্য বিগত দিনে যেভাবে কাজ করেছি, সে ভাবেই করব। এই চন্দননগর আরও এগোবে। যাকে খুশি ভোট দিন। কিন্তু ভোট দেওয়ার আগে একবার ভাবুন কী কী পান। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটের জন্য প্রকল্প করেননি। তাহলে স্কুলের ছেলে মেয়েরা এত সুবিধা পেত না।”
বিজেপির প্রার্থী তালিকা নিয়ে কটাক্ষ করেও ইন্দ্রনীল বলেন, ”এখন নতুন ট্রেন্ড হয়েছে সাংসদ, মন্ত্রী থেকে পদত্যাগ করে ভোটে দাঁড়ানো। নরেন্দ্র মোদি যদি পদত্যাগ করে চন্দননগরে দাঁড়ান, এখান থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই জিতবেন। আমাদের প্রতিপক্ষ বিজেপি নয়, আমাদের প্রতিপক্ষ বামফ্রন্ট। আমি শুনেছি যে এখানে দাঁড়িয়েছে, খুব ভাল মানুষ। কিন্তু তাঁকে একটা উপদেশ দেব। বাম আর রাম এক হলে নাকি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে হারানো যায়। কিন্তু রাম বামের জোট করে মমতাকে সরানো যাবে না। তৃণমূল বাদে বাম, বিজেপি, কংগ্রেস, আইএসএফ, হুমায়ুন কবীরের দল, মিম, নির্দল সবাই মিলে জোট করুন। তবুও মমতাকে এক ইঞ্চিও সরাতে পারবেন না।”
