প্রার্থী জানান, চুঁচুড়ার মানুষ যে উন্নয়নের স্বপ্ন দেখেন, সেটাকেই সামনে রেখে এই ভাবনা। “মানুষের স্বপ্ন যদি সত্যি হয়, এলাকা তো সেই ভাবেই গড়ে উঠবে” এমনটাই মত তাঁর। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের দায়িত্ব নিতে চান বলেও জানান তিনি। তিনি বলেন, সব লক্ষ্য পূরণ করা সবসময় সম্ভব নয়, তবে বড় লক্ষ্য নিয়েই এগোতে হয়। “১০০ তে ১০০ না পারলেও ৭০-৭৫ তো পারব” এই আত্মবিশ্বাস নিয়েই কাজ করতে চান তিনি। মানুষের দাবি-দাওয়া, চাহিদা ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়েই পরিকল্পনা তৈরি হবে বলে আশ্বাস দেন।একইসঙ্গে তিনি উন্নয়নের তিনটি ধাপের কথাও তুলে ধরেন শর্ট টার্ম, মিড টার্ম এবং লং টার্ম পরিকল্পনা। তাৎক্ষণিক সমস্যা সমাধান থেকে শুরু করে ভবিষ্যতের স্থায়ী উন্নয়ন, সবদিকেই নজর রাখা হবে বলে জানান তিনি। সব মিলিয়ে, “হ্যাশট্যাগ নিউ চুঁচুড়া” কোনও স্লোগান না হলেও, এটি এখন চুঁচুড়ার মানুষের উন্নয়নচিন্তা ও ভবিষ্যৎ স্বপ্নের প্রতীক হিসেবেই উঠে আসছে।
advertisement
গতকাল সোমবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ছবি পোস্ট করে তিনি জানান, “চুঁচুড়ায় আজ থেকে আমার নতুন ঠিকানা। নারায়ণ পূজোর মাধ্যমে গৃহপ্রবেশ…” এই সংক্ষিপ্ত বার্তার মধ্যেই ধরা পড়েছে তাঁর ব্যক্তিগত আনন্দের মুহূর্ত।






